বাংলায় জানার নতুন ঠিকানা

বলকান যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: গ্যালিপলি, আরব বিদ্রোহ ও আর্মেনীয় গণহত্যার মধ্য দিয়ে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন

সিরিজ: অটোমান সাম্রাজ্য: উত্থান, স্বর্ণযুগ ও পতনের ইতিহাস

বলকান যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: গ্যালিপলি, আরব বিদ্রোহ ও আর্মেনীয় গণহত্যার মধ্য দিয়ে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন
বলকান থেকে বিশ্বযুদ্ধ—অটোমান সাম্রাজ্যের শেষ লড়াই

১৯০৮ সালের ইয়ং তুর্ক বিপ্লবের পর অটোমান সাম্রাজ্যে সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং অনেকের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সাম্রাজ্য এমন এক ধারাবাহিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যা তার ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোকে বিপর্যস্ত করে দেয়। ১৯১২ সালের বলকান যুদ্ধ থেকে ১৯১৮ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি পর্যন্ত মাত্র ছয় বছরে অটোমান সাম্রাজ্য কার্যত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।

এর আগেই ১৯১১ সালে ইতালি অটোমান-শাসিত ত্রিপোলিতানিয়া ও সিরেনাইকা, অর্থাৎ বর্তমান লিবিয়ার বড় অংশ আক্রমণ করে। অটোমানরা সরাসরি বড় বাহিনী পাঠাতে সমস্যায় পড়ে। যুদ্ধের শেষে ইতালি লিবিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং ডোডেকানিজ দ্বীপপুঞ্জও দখল করে। সাম্রাজ্যের দুর্বলতা বলকান রাষ্ট্রগুলোর নজর এড়ায়নি।

১৯১২ সালে সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, গ্রিস ও মন্টেনেগ্রো বলকান লীগ গঠন করে অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। প্রথম বলকান যুদ্ধে অটোমান বাহিনী দ্রুত একাধিক ফ্রন্টে বিপর্যস্ত হয়। বুলগেরীয় বাহিনী ইস্তাম্বুলের কাছাকাছি চাতালজা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, গ্রিক বাহিনী সালোনিকা দখল করে এবং মেসিডোনিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল অটোমানদের হাতছাড়া হয়।

পরাজয়ের সঙ্গে আসে বিশাল মানবিক বিপর্যয়। বলকানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ সহিংসতা, ভয় ও নতুন সীমান্তের কারণে অটোমান ভূখণ্ডে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। একই সময়ে অন্যান্য জনগোষ্ঠীও যুদ্ধ ও জাতিগত সহিংসতার শিকার হয়। বলকান যুদ্ধ সাম্রাজ্যের শেষ যুগের রাজনীতিতে শরণার্থী, প্রতিশোধ ও জাতীয় নিরাপত্তার ভয়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১৯১৩ সালের দ্বিতীয় বলকান যুদ্ধে সাবেক মিত্ররা নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করলে অটোমানরা সুযোগ নিয়ে এদির্নে পুনর্দখল করে। কিন্তু সামগ্রিক ক্ষতি ফেরানো সম্ভব হয়নি। সাম্রাজ্যের শতাব্দীপ্রাচীন ইউরোপীয় ভূখণ্ডের অধিকাংশই হারিয়ে যায়।

এই বিপর্যয়ের মধ্যেই কমিটি অব ইউনিয়ন অ্যান্ড প্রগ্রেস বা সিইউপি রাজনীতিতে আরও শক্তিশালী হয়। ১৯১৩ সালের অভ্যুত্থানের পর এনভার পাশা, তালাত পাশা ও জেমাল পাশা অটোমান সরকারের প্রধান ক্ষমতাকেন্দ্রগুলোর মধ্যে উঠে আসেন। তাদের সামনে প্রধান প্রশ্ন ছিল—আরও ভূখণ্ড হারানোর আগে সাম্রাজ্যকে কীভাবে রক্ষা করা যায়?

১৯১৪ সালে ইউরোপে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে অটোমান নেতৃত্ব প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ থাকে। কিন্তু জার্মানির সঙ্গে গোপন জোট এবং রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতা সাম্রাজ্যকে কেন্দ্রীয় শক্তির দিকে নিয়ে যায়। অটোমান নিয়ন্ত্রণে আসা জার্মান যুদ্ধজাহাজ গোয়েবেন ও ব্রেসলাউ কৃষ্ণসাগরে রুশ লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করার পর রাশিয়া, ব্রিটেন ও ফ্রান্স অটোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবেশ করে।

অটোমান সাম্রাজ্য এখন ককেশাস, দারদানেলিস, মেসোপটেমিয়া, সিনাই-প্যালেস্টাইন এবং আরব উপদ্বীপসহ বিশাল এলাকায় যুদ্ধ করছে। শুরুতেই ককেশাসে এনভার পাশার সারিকামিশ অভিযান ১৯১৪–১৯১৫ সালের শীতে বিপর্যয়ে পরিণত হয়। প্রচণ্ড ঠান্ডা, দুর্বল সরবরাহ ও পরিকল্পনার সমস্যায় অটোমান তৃতীয় সেনাবাহিনী ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

এই সামরিক সংকটের মধ্যেই অটোমান আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকারের নীতি চরম সহিংসতায় রূপ নেয়। অটোমান কর্তৃপক্ষ কিছু আর্মেনীয় বিপ্লবী সংগঠনের কার্যক্রম, রুশ বাহিনীর সঙ্গে কিছু আর্মেনীয় স্বেচ্ছাসেবকের সহযোগিতা এবং পূর্ব আনাতোলিয়ার নিরাপত্তাকে গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখছিল। কিন্তু এই নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুরো আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যে রাষ্ট্রীয় নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল, তার ব্যাপ্তি ও পরিণতিকে ব্যাখ্যা বা ন্যায্যতা দেয় না।

১৯১৫ সালের ২৪ এপ্রিল ইস্তাম্বুলে শত শত আর্মেনীয় বুদ্ধিজীবী, নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর পূর্ব আনাতোলিয়াসহ সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীকে ব্যাপকভাবে উচ্ছেদ ও নির্বাসিত করা শুরু হয়।

পুরুষদের অনেককে হত্যা করা হয় এবং নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের দীর্ঘ পদযাত্রায় সিরিয়ার মরুভূমির দিকে পাঠানো হয়। পথে হত্যা, অনাহার, রোগ, নির্যাতন ও অপহরণে বিপুলসংখ্যক মানুষ মারা যায়। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং বহু প্রাচীন আর্মেনীয় সম্প্রদায় ধ্বংস হয়ে যায়। ইতিহাসবিদদের বৃহৎ অংশ এবং গণহত্যা গবেষণার প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলো এই রাষ্ট্রনির্দেশিত নিপীড়ন ও গণমৃত্যুকে আর্মেনীয় গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। নিহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে গবেষণায় পার্থক্য থাকলেও সাধারণভাবে প্রায় দশ লক্ষ বা তারও বেশি আর্মেনীয়ের মৃত্যুর হিসাব আলোচিত হয়।

একই ১৯১৫ সালে অটোমানরা আবার তাদের সবচেয়ে বিখ্যাত সামরিক বিজয়গুলোর একটি অর্জন করে। ব্রিটেন ও ফ্রান্স দারদানেলিস পেরিয়ে ইস্তাম্বুলের দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। লক্ষ্য ছিল অটোমানদের যুদ্ধ থেকে বের করে দেওয়া এবং রাশিয়ার সঙ্গে সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া।

প্রথমে মিত্র নৌবহর প্রণালি ভেদ করার চেষ্টা করে। ১৮ মার্চ ১৯১৫-এর নৌআক্রমণ ব্যর্থ হওয়ার পর গ্যালিপলি উপদ্বীপে স্থলবাহিনী নামানো হয়। ব্রিটিশ, ফরাসি, অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড বাহিনী বিভিন্ন সৈকতে অবতরণ করে।

অটোমান প্রতিরোধ অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। জার্মান জেনারেল লিমান ফন স্যান্ডার্স সামগ্রিক প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও যুদ্ধক্ষেত্রে মুস্তাফা কামালের নেতৃত্ব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমি ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

কয়েক মাসের রক্তক্ষয়ী ট্রেঞ্চ যুদ্ধের পর মিত্ররা গ্যালিপলি থেকে সরে যায়। গ্যালিপলি অটোমানদের বিশাল প্রতিরক্ষামূলক বিজয়, কিন্তু এটি যুদ্ধের সামগ্রিক গতিপথ বদলাতে পারেনি।

অন্য ফ্রন্টে পরিস্থিতি মিশ্র ছিল। মেসোপটেমিয়ায় অটোমানরা ১৯১৬ সালে কুত আল-আমারায় একটি ব্রিটিশ বাহিনীকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। কিন্তু পরের বছর ব্রিটিশরা নতুন অভিযান চালিয়ে বাগদাদ দখল করে।

এদিকে আরব প্রদেশেও সংকট বাড়ছিল। ১৯১৬ সালে মক্কার শরিফ হুসাইন ইবনে আলী অটোমানদের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহ শুরু করেন। ব্রিটেন বিদ্রোহীদের অর্থ, অস্ত্র ও সামরিক পরামর্শ দেয়। টি. ই. লরেন্স পরে এই অভিযানের বিখ্যাত মুখ হয়ে উঠলেও আরব বিদ্রোহকে তার ব্যক্তিগত অভিযান হিসেবে দেখা ঐতিহাসিকভাবে ভুল।

শরিফিয়ান বাহিনী হিজাজের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে এবং হিজাজ রেলপথে হামলা চালিয়ে অটোমান যোগাযোগব্যবস্থাকে চাপের মধ্যে ফেলে। তবে সব আরব অটোমানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেনি। বিপুলসংখ্যক আরব সৈন্য অটোমান সেনাবাহিনীতে যুদ্ধ করেছে এবং বিভিন্ন আরব অঞ্চলের রাজনৈতিক অবস্থানও এক ছিল না।

একই সময়ে ব্রিটিশ কূটনীতি ভবিষ্যৎ মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরস্পরবিরোধী প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনায় জড়িয়ে পড়ে। সাইকস-পিকো সমঝোতা ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সম্ভাব্য প্রভাবক্ষেত্র নির্ধারণ করছিল, আর ১৯১৭ সালের ব্যালফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদি জনগণের জন্য একটি “জাতীয় আবাস” প্রতিষ্ঠার প্রতি ব্রিটিশ সমর্থন জানায়। ফলে অটোমান-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠেছিল।

যুদ্ধ সাধারণ মানুষের জন্যও বিপর্যয়কর ছিল। সামরিক নিয়োগ, পরিবহন সংকট, খাদ্য বাজেয়াপ্তকরণ, অবরোধ, রোগ ও কৃষি উৎপাদনের সমস্যায় বহু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। গ্রেটার সিরিয়ায় ১৯১৫–১৯১৮ সালের দুর্ভিক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষ মারা যায়, বিশেষ করে মাউন্ট লেবাননে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়। এর পেছনে যুদ্ধ, মিত্রশক্তির নৌ অবরোধ, অটোমান নীতি, পরিবহন বিপর্যয় এবং পঙ্গপালের আক্রমণসহ একাধিক কারণ কাজ করেছিল।

১৯১৭ সালে ব্রিটিশ বাহিনী জেরুজালেম দখল করে। ১৯১৮ সালে মেগিদ্দোর যুদ্ধে অটোমান প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়লে ব্রিটিশ ও সহযোগী বাহিনী দ্রুত সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। দামেস্কও অটোমান নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

একই সময়ে বুলগেরিয়া যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে গেলে অটোমানদের ইউরোপীয় যোগাযোগ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী ক্লান্ত, অর্থনীতি বিপর্যস্ত এবং বহু ফ্রন্টে প্রতিরোধ ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ছিল।

শেষ পর্যন্ত ১৯১৮ সালের ৩০ অক্টোবর মুদ্রোসের অস্ত্রবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। অটোমান সাম্রাজ্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে বেরিয়ে যায়। মিত্রশক্তি কৌশলগত অঞ্চল দখলের ব্যাপক সুযোগ পায় এবং কিছুদিনের মধ্যেই ইস্তাম্বুলে মিত্র নৌবহর উপস্থিত হয়।

তবে ১৯১৮ সালেই আইনগতভাবে অটোমান সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব শেষ হয়নি। সুলতান ও সরকার আরও কয়েক বছর টিকে ছিল। কিন্তু বলকান যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডগত, সামরিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি এমনভাবে ধ্বংস করেছিল যে পুরোনো সাম্রাজ্যিক ব্যবস্থা আর পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়নি।

এই শেষ অধ্যায় তাই শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের ইতিহাস নয়। গ্যালিপলি দেখিয়েছিল অটোমান সেনাবাহিনী এখনও শক্তিশালী প্রতিরোধ করতে পারে; কুতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছিল। কিন্তু বিচ্ছিন্ন সামরিক সাফল্য সামগ্রিক কৌশলগত বিপর্যয়, অর্থনৈতিক ধ্বংস, জাতিগত সহিংসতা, আর্মেনীয় গণহত্যা, আরব বিদ্রোহ এবং একাধিক ফ্রন্টে ভূখণ্ড হারানো ঠেকাতে পারেনি।

১৯১৮ সালের শেষে যে অটোমান রাষ্ট্র অবশিষ্ট ছিল, সেটি ১৯০৮ সালের সাম্রাজ্য থেকেও সম্পূর্ণ ভিন্ন। বলকানের অধিকাংশ অঞ্চল আগেই হারিয়েছে, আরব প্রদেশগুলো হাতছাড়া হয়েছে এবং বিজয়ী শক্তিগুলো আনাতোলিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়েও পরিকল্পনা করছে।

ছয় শতাব্দীর অটোমান ইতিহাসের চূড়ান্ত সংকট তাই কোনো এক যুদ্ধ বা এক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে তৈরি হয়নি। বলকানের জাতীয়তাবাদ, ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদ, দীর্ঘ সামরিক প্রতিযোগিতা, কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর জাতীয়তাবাদী নীতি, অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সর্বাত্মক ধ্বংস একসঙ্গে সাম্রাজ্যকে ভেঙে দেয়। মুদ্রোসের অস্ত্রবিরতি সেই দীর্ঘ পতনের শেষ সামরিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটায়—এরপর শুরু হবে অটোমান সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি এবং তার ধ্বংসস্তূপ থেকে আধুনিক তুরস্ক ও নতুন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র গড়ে ওঠার আরেক ইতিহাস।


আপনার পছন্দ হতে পারে