গ্রেট হিথেন আর্মি: বিশাল ভাইকিং বাহিনী কীভাবে ইংল্যান্ডের রাজ্যগুলো একে একে দখল করেছিল?
সিরিজ: ভাইকিং যুগ: অভিযান, বিজয় ও নর্স সভ্যতার ইতিহাস
ইংল্যান্ড জয়ের পথে গ্রেট হিথেন আর্মি
নবম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইংল্যান্ডের মানুষের কাছে ভাইকিং হামলা নতুন কিছু ছিল না। কয়েক দশক ধরে নর্স যোদ্ধারা সমুদ্রপথে এসে মঠ, বন্দর ও উপকূলীয় বসতিতে আক্রমণ চালাচ্ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের কৌশল ছিল দ্রুত আঘাত করা, সম্পদ সংগ্রহ করা এবং প্রতিরক্ষা সংগঠিত হওয়ার আগেই জাহাজে ফিরে যাওয়া। কিন্তু ৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে যে নর্স বাহিনী এসে পৌঁছায়, তার উদ্দেশ্য ও অভিযানের ধরন ছিল অনেক বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী। পরবর্তী ইংরেজ ঐতিহ্যে এই বাহিনী পরিচিত হয়ে ওঠে গ্রেট হিথেন আর্মি বা বিশাল পৌত্তলিক বাহিনী নামে।
“গ্রেট হিথেন আর্মি” নামটি নর্সদের নিজেদের দেওয়া নাম ছিল না। অ্যাংলো-স্যাক্সন ক্রনিকল তাদের একটি বৃহৎ পৌত্তলিক সেনাবাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছে। বাহিনীটি ঠিক কত বড় ছিল, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। জনপ্রিয় কল্পনায় কখনো হাজার হাজার বা কয়েক দশক হাজার যোদ্ধার বিশাল বাহিনী দেখানো হলেও নির্ভরযোগ্য সমসাময়িক হিসাব নেই। তবে এটি সাধারণ কয়েকটি জাহাজের লুণ্ঠনকারী দলের তুলনায় অনেক বেশি সংগঠিত এবং দীর্ঘস্থায়ী সামরিক শক্তি ছিল—এ বিষয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বড় ধরনের সন্দেহ নেই।
পরবর্তী নর্স কাহিনিতে এই অভিযানের সঙ্গে আইভার দ্য বোনলেস, হালফডান এবং উব্বা-র মতো বিখ্যাত নেতাদের নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ সমসাময়িক বা কাছাকাছি সময়ের উৎসেও বিভিন্নভাবে উপস্থিত হন। পরবর্তী সাগাগুলো তাদের কিংবদন্তি নর্স যোদ্ধা রাগনার লথব্রকের পুত্র হিসেবে উপস্থাপন করে এবং রাগনারের মৃত্যুর প্রতিশোধকে ইংল্যান্ড আক্রমণের কারণ হিসেবে তুলে ধরে। কিন্তু এই নাটকীয় প্রতিশোধকাহিনিকে সরাসরি নিশ্চিত ইতিহাস হিসেবে গ্রহণ করা কঠিন। বাস্তবে সম্পদ, জমি, রাজনৈতিক সুযোগ এবং কয়েক দশকের সফল নর্স অভিযানের অভিজ্ঞতা এই বৃহত্তর সামরিক উদ্যোগের পেছনে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
৮৬৫ সালে বাহিনীটি ইস্ট অ্যাংলিয়ায় আসে। আশ্চর্যজনকভাবে তারা প্রথমেই রাজ্যটি ধ্বংস করার চেষ্টা করেনি। স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘোড়া সংগ্রহ করে তারা শীতকাল কাটায়। ঘোড়া ব্যবহার ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা। ভাইকিংরা সব সময় ঘোড়ার পিঠে যুদ্ধ করা অশ্বারোহী বাহিনী ছিল না; বরং ঘোড়া ব্যবহার করে তারা স্থলপথে দ্রুত সৈন্য স্থানান্তর করতে পারত। ফলে জাহাজের গতিশীলতার সঙ্গে স্থলভাগের দ্রুত চলাচল যুক্ত হয়।
পরের লক্ষ্য ছিল নর্থাম্ব্রিয়া। সে সময় রাজ্যটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। রাজা অসবার্ট এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এলা ক্ষমতার জন্য লড়াই করছিলেন। নর্স বাহিনী এই বিভক্তির সুযোগ নিয়ে ৮৬৬ সালে গুরুত্বপূর্ণ নগর ইয়র্ক দখল করে। রোমান যুগ থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি সামরিক, রাজনৈতিক এবং বাণিজ্যিক—সব দিক থেকেই অত্যন্ত মূল্যবান ছিল।
নর্থাম্ব্রিয়ার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শাসক পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে শেষ পর্যন্ত নর্সদের বিরুদ্ধে একত্রিত হন। ৮৬৭ সালে ইয়র্ক পুনর্দখলের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু অভিযান ব্যর্থ হয় এবং অসবার্ট ও এলা দুজনই নিহত হন। এর ফলে নর্থাম্ব্রিয়ার রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং নর্সরা নিজেদের পছন্দের স্থানীয় শাসক বসিয়ে অঞ্চলের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী নর্স কাহিনিতে রাজা এলার মৃত্যুকে অত্যন্ত নাটকীয় ব্লাড ঈগল শাস্তির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এই বর্ণনার নির্ভরযোগ্য সমসাময়িক প্রমাণ নেই। তাই এলাকে নৃশংস “ব্লাড ঈগল” পদ্ধতিতে হত্যা করা হয়েছিল—এটি নিশ্চিত ইতিহাস নয়, বরং পরবর্তী সাহিত্যিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দেখা নিরাপদ।
নর্থাম্ব্রিয়ায় সাফল্যের পর গ্রেট হিথেন আর্মি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্সিয়ার নটিংহাম দখল করে। মার্সিয়ার রাজা বার্গরেড ওয়েসেক্সের সাহায্য চান। ওয়েসেক্সের রাজা এথেলরেড এবং তাঁর ভাই আলফ্রেড বাহিনী নিয়ে এগিয়ে আসেন। কিন্তু নটিংহামের শক্ত অবস্থান থেকে ভাইকিংদের সরানো সহজ ছিল না। শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে নর্সরা সরে যায়। ঘটনাটি দেখায়, ভাইকিং বাহিনী শুধু যুদ্ধেই নির্ভর করত না; পরিস্থিতি অনুযায়ী অর্থ, চুক্তি ও কৌশলগত প্রত্যাহারও তাদের অভিযানের অংশ ছিল।
কয়েক বছর পর পরিস্থিতি ইস্ট অ্যাংলিয়ার জন্য ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ৮৬৯ সালের শেষভাগে নর্স বাহিনী ইস্ট অ্যাংলিয়ায় ফিরে আসে এবং রাজা এডমন্ড তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন। পরবর্তী খ্রিস্টীয় ঐতিহ্যে এডমন্ড শহীদ-রাজা হিসেবে সম্মানিত হন এবং তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে বহু কিংবদন্তি তৈরি হয়। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তাঁর পতনের পর ইস্ট অ্যাংলিয়ায় স্বাধীন অ্যাংলো-স্যাক্সন রাজশক্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং অঞ্চলটি নর্স কর্তৃত্বের অধীনে চলে আসে।
এখন ইংল্যান্ডের প্রধান স্বাধীন শক্তিগুলোর মধ্যে ওয়েসেক্স ছিল ভাইকিংদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা। ৮৭০ সালের শেষভাগ থেকে নর্স বাহিনী ওয়েসেক্সের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ৮৭১ সাল যুদ্ধের ঘনত্বের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়। একের পর এক সংঘর্ষ ঘটে—রিডিং, অ্যাশডাউন, বেসিং ও অন্যান্য স্থানে। এর মধ্যে অ্যাশডাউনের যুদ্ধে অ্যাংলো-স্যাক্সনরা গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করে, যেখানে আলফ্রেডের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে।
কিন্তু একটি যুদ্ধ জিতলেই অভিযান শেষ হয়নি। একই বছর রাজা এথেলরেড মারা গেলে আলফ্রেড ওয়েসেক্সের রাজা হন। তখন তিনি এমন এক সামরিক সংকটের মুখোমুখি, যেখানে নর্থাম্ব্রিয়া ও ইস্ট অ্যাংলিয়া ইতোমধ্যে নর্স নিয়ন্ত্রণে এবং মার্সিয়াও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল। আলফ্রেডের সামনে মূল প্রশ্ন ছিল—ওয়েসেক্স কি একই পরিণতি এড়াতে পারবে?
এদিকে গ্রেট হিথেন আর্মিও একক অপরিবর্তিত বাহিনী হিসেবে থাকেনি। বিভিন্ন নেতা বিভিন্ন দিকে অভিযান চালান এবং নতুন নর্স যোদ্ধাও যোগ দেয়। হালফডানের নেতৃত্বাধীন একটি অংশ উত্তর দিকে ফিরে নর্থাম্ব্রিয়ায় জমি ভাগ করে স্থায়ী বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। যে যোদ্ধারা প্রথমে অভিযাত্রী হিসেবে এসেছিল, তাদের একটি অংশ এখন কৃষিজমি গ্রহণ করে স্থায়ী বাসিন্দায় পরিণত হচ্ছিল।
মার্সিয়ার ভাগ্যও শেষ পর্যন্ত একই দিকে যায়। ৮৭৪ সালে রাজা বার্গরেড ক্ষমতাচ্যুত হয়ে নির্বাসনে চলে যান এবং নর্সরা সিওলউলফ নামে একজন শাসককে ক্ষমতায় বসায়। যদিও পরবর্তী ইংরেজ উৎস তাঁকে ভাইকিংদের অনুগত ব্যক্তি হিসেবে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করেছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্ভবত আরও জটিল ছিল। তবু এটি স্পষ্ট যে পুরোনো মার্সিয়ান রাজশক্তি নর্স সামরিক চাপের কারণে গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছিল।
এরপর গ্রেট হিথেন আর্মির ইতিহাসে সামনে আসেন গুথরুম। তাঁর নেতৃত্বাধীন নর্স শক্তি ওয়েসেক্সের ওপর চাপ অব্যাহত রাখে। ৮৭৬ সালে তারা ওয়্যারহাম দখল করে এবং পরবর্তী সময়ে এক্সেটারের দিকেও অগ্রসর হয়। আলফ্রেড কখনো যুদ্ধ, কখনো আলোচনা এবং কখনো অর্থ প্রদানের মাধ্যমে সময় অর্জনের চেষ্টা করেন। কিন্তু ৮৭৮ সালের শুরুতে পরিস্থিতি হঠাৎ ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
নর্স বাহিনী চিপেনহামে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। আলফ্রেড কার্যত রাজ্যের কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং সাময়িকভাবে সোমারসেটের জলাভূমি অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরবর্তী কিংবদন্তিতে এই সময়ের সঙ্গে আলফ্রেডের কৃষকের ঘরে আশ্রয় নেওয়া এবং কেক পুড়িয়ে ফেলার বিখ্যাত গল্প যুক্ত হয়েছে, কিন্তু এটি অনেক পরের ঐতিহ্য। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—৮৭৮ সালের প্রথম দিকে ওয়েসেক্স সত্যিই পতনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
কিন্তু আলফ্রেড আত্মসমর্পণ করেননি। তিনি সোমারসেট, উইল্টশায়ার ও হ্যাম্পশায়ারের অনুগত বাহিনী পুনর্গঠন করেন এবং গুথরুমের বিরুদ্ধে অগ্রসর হন। ৮৭৮ সালের এডিংটনের যুদ্ধ ছিল পুরো অভিযানের মোড় ঘোরানো সংঘর্ষ। আলফ্রেডের বাহিনী নর্সদের পরাজিত করে। গুথরুম একটি সুরক্ষিত অবস্থানে আশ্রয় নিলেও অবরোধের পর আলোচনায় বাধ্য হন।
পরবর্তী সমঝোতার অংশ হিসেবে গুথরুম খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, এবং আলফ্রেড তাঁর ধর্মীয় পৃষ্ঠপোষক হন। পরে আলফ্রেড ও গুথরুমের মধ্যে সীমান্ত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক নির্ধারণকারী ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ইংল্যান্ডের উত্তর ও পূর্বের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নর্স আইন, বসতি ও রাজনৈতিক প্রভাব বজায় থাকে—যে অঞ্চল পরবর্তীকালে সাধারণভাবে ডেনল নামে পরিচিত হয়।
গ্রেট হিথেন আর্মির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য সম্ভবত কোনো একক যুদ্ধজয় নয়। তারা ইংল্যান্ডে ভাইকিং অভিযানের প্রকৃতিই বদলে দিয়েছিল। লুটপাটের জন্য এসে ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে নর্সরা ভূখণ্ড দখল, শাসন এবং স্থায়ী বসতি স্থাপনের পথে এগিয়ে যায়। নর্থাম্ব্রিয়া, ইস্ট অ্যাংলিয়া এবং মার্সিয়ার বড় অংশে নর্স বসতি গড়ে ওঠে। ইয়র্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ নর্স রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়।
অন্যদিকে এই সংকট অ্যাংলো-স্যাক্সন ইংল্যান্ডকেও বদলে দেয়। আলফ্রেড বুঝেছিলেন যে বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দ্রুতগামী ভাইকিং বাহিনীকে থামানো কঠিন। তাঁর শাসনামলে সুরক্ষিত বুর্হ বা দুর্গনগরের নেটওয়ার্ক, সামরিক সংগঠন এবং নৌপ্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর পুত্র এডওয়ার্ড দ্য এল্ডার ও কন্যা এথেলফ্লেড নর্স নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল পুনর্দখলের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেন।
তাই গ্রেট হিথেন আর্মিকে শুধু একটি বিশাল ভাইকিং সেনাবাহিনী হিসেবে দেখলে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব পুরোপুরি বোঝা যায় না। এটি ছিল অভিযান থেকে বিজয় এবং বিজয় থেকে বসতি স্থাপনে ভাইকিং সম্প্রসারণের রূপান্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বাহিনীটি পুরোনো অ্যাংলো-স্যাক্সন রাজনৈতিক ভারসাম্য ভেঙে দেয় এবং একই সঙ্গে এমন প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, যার মধ্য থেকে পরবর্তী একীভূত ইংল্যান্ডের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়।
৮৬৫ সালে ইস্ট অ্যাংলিয়ায় অবতরণের সময় নর্স যোদ্ধারা হয়তো কল্পনাও করেনি তাদের অভিযান ইংল্যান্ডের ইতিহাস কত গভীরভাবে পাল্টে দেবে। দুই দশকেরও কম সময়ে নর্থাম্ব্রিয়া ভেঙে পড়েছিল, ইস্ট অ্যাংলিয়ার স্বাধীন রাজশক্তি ধ্বংস হয়েছিল, মার্সিয়া বিভক্ত ও দুর্বল হয়েছিল এবং ওয়েসেক্স অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধে নেমেছিল। কিন্তু ওয়েসেক্সের প্রতিরোধই শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ নর্স বিজয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই সংঘর্ষ থেকেই শুরু হয় ভাইকিং ও অ্যাংলো-স্যাক্সন শক্তির পরবর্তী দীর্ঘ লড়াই—যার ফল একদিন শুধু ডেনলের ভাগ্য নয়, সমগ্র ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
পূর্ব ইউরোপে ভাইকিংদের অভিযান: ভারাঙ্গিয়ান, রুস, কিয়েভ ও কনস্টান্টিনোপল পর্যন্ত নর্স সম্প্রসারণ
প্যারিসে ভাইকিং আক্রমণ ও নরম্যান্ডির জন্ম: রোলো থেকে নরম্যান শক্তির উত্থানের ইতিহাস
ভাইকিং লংশিপ ও নৌযাত্রা: যে প্রযুক্তি নর্স যোদ্ধাদের ইউরোপের আতঙ্কে পরিণত করেছিল
লিন্ডিসফার্ন আক্রমণ ৭৯৩: যে ভয়াবহ হামলা ইউরোপে ভাইকিং যুগের সূচনা করেছিল