নুরেমবার্গ আইন থেকে ক্রিস্টালনাখট: নাৎসি জার্মানিতে ইহুদি নিপীড়নের ইতিহাস
সিরিজ: নাৎসি জার্মানির উত্থান ও পতন
বৈষম্যমূলক আইন থেকে প্রকাশ্য সহিংসতা
নাৎসি জার্মানিতে ইহুদি নিপীড়ন হঠাৎ এক রাতে শুরু হয়নি। এটি ছিল অধিকার হরণ, সামাজিক বর্জন, অর্থনৈতিক লুণ্ঠন, রাষ্ট্রীয় অপমান এবং সহিংসতার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ১৯৩৩ সালে অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিটি নতুন আইন ও প্রশাসনিক নির্দেশ ইহুদিদের জার্মান সমাজ থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে। ১৯৩৫ সালের নুরেমবার্গ আইন সেই নিপীড়নকে সুসংগঠিত আইনি কাঠামো দেয় এবং ১৯৩৮ সালের ক্রিস্টালনাখট দেখিয়ে দেয় যে রাষ্ট্রীয় বৈষম্য শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্য গণসহিংসতা ও বন্দিশিবিরে নির্বাসনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আইনের ভাষায় শুরু হওয়া অধিকার হরণ মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে দোকান ভাঙচুর, উপাসনালয় পুড়িয়ে দেওয়া এবং হাজার হাজার মানুষকে বন্দী করার সন্ত্রাসে পরিণত হয়েছিল।
নাৎসি মতাদর্শে ইহুদিদের কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায় হিসেবে নয়, তথাকথিত জাতিগত শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করা হতো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়, অর্থনৈতিক সংকট, কমিউনিজম এবং আধুনিক সংস্কৃতিসহ জার্মানির প্রায় সব সমস্যার জন্য তাদের অন্যায়ভাবে দায়ী করা হয়। এই প্রচারণার কোনো বাস্তব ভিত্তি ছিল না। জার্মানির ইহুদিরা সংখ্যায় মোট জনসংখ্যার এক শতাংশেরও কম ছিল এবং তাদের অনেকে বহু প্রজন্ম ধরে দেশটিতে বসবাস করছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রায় এক লাখ জার্মান ইহুদি সেনাবাহিনীতে কাজ করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে প্রায় বারো হাজার নিহত হন। তা সত্ত্বেও নাৎসিরা তাদের বহিরাগত ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিত্রিত করে।
১৯৩৩ সালের ১ এপ্রিল নাৎসিরা ইহুদি মালিকানাধীন দোকান, চিকিৎসাকেন্দ্র ও আইনজীবীদের কার্যালয় বর্জনের দেশব্যাপী কর্মসূচি পালন করে। এসএ সদস্যরা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের প্রবেশে বাধা দেয় এবং জানালায় ইহুদিবিদ্বেষী লেখা লাগায়। বর্জন কর্মসূচিটি মাত্র এক দিন স্থায়ী হলেও এর তাৎপর্য ছিল গভীর—রাষ্ট্র প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নাগরিকদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ব্যবসা বর্জনের আহ্বান জানায়। এর কয়েক দিন পর পেশাদার সরকারি চাকরি পুনর্গঠন আইন জারি করে অধিকাংশ ইহুদি সরকারি কর্মচারীকে চাকরি থেকে সরানোর পথ তৈরি করা হয়। শিক্ষক, বিচারক, অধ্যাপক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এর শিকার হন।
পরবর্তী দুই বছরে শত শত আইন, আদেশ ও স্থানীয় বিধিনিষেধ ইহুদিদের জীবন সংকুচিত করতে থাকে। চিকিৎসক ও আইনজীবীদের পেশাগত সুযোগ কমানো হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইহুদি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করা হয় এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়। স্থানীয় প্রশাসন অনেক এলাকায় পার্ক, সাঁতারকেন্দ্র, হোটেল ও বিনোদনস্থলে ইহুদিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। দোকান ও রেস্তোরাঁয় ইহুদি গ্রাহকদের স্বাগত জানানো হবে না—এমন ঘোষণা দেখা যেতে থাকে। এই ছোট ছোট নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ছিল ইহুদিদের বোঝানো যে তারা আর নিজেদের জন্মভূমিতেও সমাজের সমান সদস্য নয়।
১৯৩৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত নাৎসি পার্টির বার্ষিক সমাবেশের সময় দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন ঘোষণা করা হয়। প্রথমটি ছিল রাইখ নাগরিকত্ব আইন। এতে পূর্ণ রাজনৈতিক অধিকারসম্পন্ন “রাইখ নাগরিক” এবং সাধারণ রাষ্ট্রীয় প্রজার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করা হয়। কেবল “জার্মান বা সংশ্লিষ্ট রক্তের” ব্যক্তিদের পূর্ণ নাগরিক বলে গণ্য করার মাধ্যমে ইহুদিদের কার্যত নাগরিকত্ব ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। তারা জার্মানির বাসিন্দা থাকলেও রাষ্ট্রের সমান সদস্য হিসেবে আর স্বীকৃত ছিল না।
দ্বিতীয়টি ছিল জার্মান রক্ত ও সম্মান রক্ষার আইন। এতে ইহুদি ও তথাকথিত জার্মান রক্তের মানুষের মধ্যে বিবাহ এবং বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করা হয়। ইহুদি পরিবারে নির্দিষ্ট বয়সের নিচের তথাকথিত জার্মান নারীকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ করাও নিষিদ্ধ ছিল। বিদ্যমান মিশ্র বিবাহ তখনই বাতিল করা না হলেও নতুন বিবাহকে অপরাধে পরিণত করা হয়। ব্যক্তিগত প্রেম, বিবাহ ও পারিবারিক সম্পর্কের ওপর রাষ্ট্র জাতিগত কর্তৃত্ব আরোপ করে। এই তথাকথিত অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে অপমান, কারাবাস অথবা বন্দিশিবিরে পাঠানো হতো।
আইনগুলো ঘোষণার সময় কে ইহুদি—তার পূর্ণ প্রশাসনিক সংজ্ঞা স্পষ্ট ছিল না। ১৯৩৫ সালের নভেম্বরের পরিপূরক আদেশে ব্যক্তির নিজের বিশ্বাসের বদলে দাদা-দাদির ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস তৈরি করা হয়। তিন বা চারজন ইহুদি দাদা-দাদি থাকলে একজন ব্যক্তিকে ইহুদি হিসেবে গণ্য করা হতো। এক বা দুজন ইহুদি পূর্বপুরুষ থাকা ব্যক্তিদের জন্য মিশ্র বংশপরিচয়ের বিভিন্ন বিভাগ সৃষ্টি করা হয়। ফলে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করা কিংবা নিজেকে ধর্মহীন বলে পরিচয় দেওয়াও কাউকে নিপীড়ন থেকে রক্ষা করত না। নাৎসি রাষ্ট্র মানুষের পরিচয়কে সরকারি নথি ও বংশতালিকার মাধ্যমে নির্ধারণ করে বৈষম্যকে আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিণত করেছিল।
নুরেমবার্গ আইন ইহুদিবিদ্বেষকে সমাজে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলে। শিক্ষক, পুলিশ, বিচারক, কর্মকর্তা ও নিয়োগকর্তারা বুঝতে পারেন যে বৈষম্য এখন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নীতি। বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ে ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণা শেখানো হয় এবং শিশুদের তথাকথিত জাতিগত পার্থক্য শনাক্ত করার শিক্ষা দেওয়া হয়। সংবাদপত্র ও পোস্টারে ইহুদিদের অমানবিক ও বিপজ্জনক হিসেবে উপস্থাপন করা হতো। এই প্রচারণা সহিংসতার জন্য মানসিক পরিবেশ তৈরি করে—প্রথমে মানুষকে আলাদা পরিচয়ে চিহ্নিত করা হয়, এরপর তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাদের ওপর আক্রমণকে স্বাভাবিক বলে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৩৬ সালের বার্লিন অলিম্পিকের সময় আন্তর্জাতিক সমালোচনা এড়াতে প্রকাশ্য ইহুদিবিদ্বেষী প্রচারণার কিছু চিহ্ন সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা হয়। বিদেশি দর্শকদের সামনে জার্মানিকে শান্তিপূর্ণ ও আধুনিক দেশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অলিম্পিক শেষ হওয়ার পর নিপীড়ন আবার দ্রুত তীব্র হয়। ইহুদি ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল, পেশাগত নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পত্তি হস্তান্তরের চাপ বাড়তে থাকে। “আর্যায়ন” নামে পরিচিত প্রক্রিয়ায় ইহুদি মালিকদের ব্যবসা ও সম্পত্তি প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে অ-ইহুদি জার্মানদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করা হতো। এতে রাষ্ট্র, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ক্রেতাদের একটি অংশ সরাসরি লাভবান হয়।
১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়াকে জার্মানির সঙ্গে যুক্ত করার পর ভিয়েনায় ইহুদিদের প্রকাশ্যে অপমান, মারধর এবং সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটে। এই প্রকাশ্য সহিংসতা জার্মানির ভবিষ্যৎ নীতির পরীক্ষাগার হয়ে ওঠে। একই বছরে ইহুদি চিকিৎসক ও আইনজীবীদের কাজের অধিকার আরও সীমিত করা হয়। ইহুদিদের পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক হয়, পাসপোর্টে লাল রঙের “জে” চিহ্ন দেওয়া হয় এবং যাদের নাম নাৎসিদের তৈরি তালিকায় যথেষ্ট “ইহুদি” বলে বিবেচিত হয়নি, তাদের নামের সঙ্গে পুরুষের ক্ষেত্রে “ইসরায়েল” ও নারীর ক্ষেত্রে “সারা” যোগ করতে বাধ্য করা হয়।
দেশত্যাগ তখন অনেকের কাছে বেঁচে থাকার একমাত্র পথ মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিদেশে অর্থ নেওয়ার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ, সম্পত্তি বিক্রির বাধ্যবাধকতা, উচ্চ কর এবং অন্যান্য দেশের অভিবাসনসীমা পালানোকে কঠিন করে তোলে। ১৯৩৮ সালের এভিয়ান সম্মেলনে বহু দেশ শরণার্থী সমস্যার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেও খুব কম দেশই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইহুদি শরণার্থী গ্রহণে সম্মত হয়। ফলে নাৎসি নিপীড়নের মুখোমুখি মানুষদের জন্য বিশ্বের অধিকাংশ সীমান্ত কার্যত বন্ধ থেকে যায়।
১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসি সরকার পোলিশ বংশোদ্ভূত প্রায় সতেরো হাজার ইহুদিকে হঠাৎ জার্মানি থেকে বহিষ্কার করে পোল্যান্ড সীমান্তে পাঠায়। তাদের অনেককে অনিশ্চিত অবস্থায় সীমান্ত এলাকায় আটকে থাকতে হয়। বহিষ্কৃত একটি পরিবারের সন্তান হার্শেল গ্রিন্সপান তখন প্যারিসে বাস করছিলেন। পরিবারের দুর্দশার খবর পেয়ে তিনি ৭ নভেম্বর প্যারিসে জার্মান দূতাবাসের কূটনীতিক আর্নস্ট ফম রাথকে গুলি করেন। দুই দিন পর ফম রাথ মারা গেলে নাৎসি নেতৃত্ব ঘটনাটিকে সমগ্র ইহুদি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে।
১৯৩৮ সালের ৯ থেকে ১০ নভেম্বর রাতে জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও অধিকৃত সুদেতেন অঞ্চলে সংগঠিত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এসএ, এসএস, হিটলার ইয়ুথ ও নাৎসি পার্টির সদস্যরা বেসামরিক পোশাকে ইহুদি বাড়ি, দোকান, বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও সিনাগগে হামলা চালায়। পুলিশকে হস্তক্ষেপ না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়; দমকল বাহিনীকে প্রধানত আশপাশের অ-ইহুদি সম্পত্তিতে আগুন ছড়ানো ঠেকাতে বলা হয়। হাজারের বেশি সিনাগগ ও প্রার্থনাকক্ষ পুড়িয়ে বা ধ্বংস করা হয়, প্রায় সাড়ে সাত হাজার ইহুদি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয় এবং অন্তত ৯১ জন ইহুদি সরাসরি নিহত হন। পরবর্তী নির্যাতন, আত্মহত্যা ও বন্দিশিবিরে মৃত্যুর কারণে প্রকৃত প্রাণহানি আরও বেশি ছিল।
রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভাঙা দোকানের কাচ থেকে ঘটনাটি ক্রিস্টালনাখট বা “ভাঙা কাচের রাত” নামে পরিচিত হয়। কিন্তু এই নাম আক্রমণের ভয়াবহতাকে আড়াল করতে পারে। এটি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ ছিল না; নাৎসি নেতৃত্বের নির্দেশ, রাষ্ট্রীয় নিষ্ক্রিয়তা এবং দলীয় বাহিনীর অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি পরিকল্পিত দেশব্যাপী সহিংস অভিযান ছিল। প্রায় ৩০ হাজার ইহুদি পুরুষকে গ্রেপ্তার করে ডাকাউ, বুকেনভাল্ড ও সাক্সেনহাউজেন বন্দিশিবিরে পাঠানো হয়। অনেককে দেশত্যাগ ও সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়।
সবচেয়ে নির্মমভাবে, নাৎসি সরকার হামলার শিকার ইহুদি জনগোষ্ঠীকেই ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী করে। তাদের ওপর সম্মিলিতভাবে এক বিলিয়ন রাইখসমার্ক জরিমানা আরোপ করা হয় এবং বিমা থেকে পাওয়া অর্থ রাষ্ট্র দখল করে। ইহুদি ব্যবসা ও সম্পত্তির বাধ্যতামূলক আর্যায়ন আরও দ্রুত করা হয়। শিশুদের সরকারি বিদ্যালয় থেকে বাদ দেওয়া, সাংস্কৃতিক জীবন নিষিদ্ধ করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে ইহুদিদের সরানোর প্রক্রিয়া তীব্র হয়। ক্রিস্টালনাখটের পর আর কোনো সন্দেহ ছিল না যে নাৎসি রাষ্ট্র ইহুদিদের শুধু অধিকারহীন করতে নয়, জার্মান সমাজ থেকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে চাইছিল।
নুরেমবার্গ আইন থেকে ক্রিস্টালনাখটের পথ দেখায়, গণনিপীড়ন সাধারণত আইন, ভাষা ও সামাজিক বর্জনের মধ্য দিয়েই প্রস্তুত হয়। প্রথমে একটি জনগোষ্ঠীকে আলাদা নামে চিহ্নিত করা হয়, পরে তাদের নাগরিকত্ব ও পেশা কেড়ে নেওয়া হয়, এরপর প্রতিবেশীদের তাদের সম্পত্তি থেকে লাভবান হতে দেওয়া হয় এবং শেষে প্রকাশ্য সহিংসতা সংঘটিত হয়। ১৯৩৮ সালের সেই নভেম্বর রাত পরবর্তী নির্বাসন, গেটো, গণহত্যা ও হলোকাস্টের একটি ভয়াবহ পূর্বাভাস হয়ে ইতিহাসে রয়ে গেছে।
পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও হাইড্রোজেন বোমা: ধ্বংসের মুখে স্নায়ুযুদ্ধের পৃথিবী
চীনা বিপ্লব ও কোরীয় যুদ্ধ: এশিয়ায় স্নায়ুযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী বিস্তার
আরব বসন্তের আঞ্চলিক ঢেউ: মরক্কো, আলজেরিয়া, জর্ডান ও ওমানে কী বদলেছিল?
সিরিয়ার আরব বসন্ত: দারার বিক্ষোভ থেকে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের সূচনা
ইয়েমেনের আরব বসন্ত: সালেহর পতন থেকে রাজনৈতিক সংকট ও গৃহযুদ্ধ
বাহরাইনের পার্ল রাউন্ডঅ্যাবাউট আন্দোলন: শিয়া বিক্ষোভ, রাজতন্ত্রের দমন ও সৌদি হস্তক্ষেপ