বাংলায় জানার নতুন ঠিকানা

ইয়া দ্রাং থেকে সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়: ভিয়েতনামের জঙ্গলযুদ্ধ ও গেরিলা কৌশল

সিরিজ: ভিয়েতনাম যুদ্ধ

ইয়া দ্রাং থেকে সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়: ভিয়েতনামের জঙ্গলযুদ্ধ ও গেরিলা কৌশল
জঙ্গল, গেরিলা ও ক্ষয়যুদ্ধের ভিয়েতনাম

১৯৬৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ ভিয়েতনামের মধ্যাঞ্চলীয় উচ্চভূমির ইয়া দ্রাং উপত্যকায় সংঘটিত যুদ্ধ ছিল মার্কিন সেনাবাহিনী ও উত্তর ভিয়েতনামের নিয়মিত বাহিনীর প্রথম বৃহৎ মুখোমুখি সংঘর্ষ। যুদ্ধটি শুধু একটি রক্তক্ষয়ী লড়াই ছিল না; এর মধ্যেই পরবর্তী কয়েক বছরের মার্কিন যুদ্ধনীতি এবং উত্তর ভিয়েতনামের পাল্টা কৌশলের ভিত্তি প্রকাশ পেয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র হেলিকপ্টার, কামান ও বিমানশক্তির সমন্বয়ে শত্রুকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। বিপরীতে উত্তর ভিয়েতনাম ও ভিয়েত কং জঙ্গল, গোপন পথ, সুড়ঙ্গ, আকস্মিক হামলা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধকে কাজে লাগায়। ইয়া দ্রাংয়ে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী ভাবলেও তারা যুদ্ধটি থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত শিক্ষা গ্রহণ করেছিল।

১৯৬৫ সালে বিপুলসংখ্যক মার্কিন স্থলসেনা মোতায়েনের পর জেনারেল উইলিয়াম ওয়েস্টমোরল্যান্ড এমন একটি কৌশল খুঁজছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও অগ্নিশক্তির পূর্ণ সুবিধা কাজে লাগাতে পারে। দক্ষিণ ভিয়েতনামের অধিকাংশ ভূখণ্ড স্থায়ীভাবে দখল ও পাহারা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সেনা ছিল না। তাই তাঁর পরিকল্পনা ছিল শত্রুর বড় ইউনিট শনাক্ত করা, দ্রুত হেলিকপ্টারে সেনা নামানো, তাদের যুদ্ধে আটকে রাখা এবং কামান ও বিমান হামলার মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানো। এই ধারণা থেকেই ‘সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়’ বা ‘খুঁজে বের করে ধ্বংস করো’ কৌশল যুদ্ধের কেন্দ্রে চলে আসে।

উত্তর ভিয়েতনামের নেতৃত্বও ১৯৬৫ সালে দক্ষিণে নিয়মিত সেনা পাঠানোর মাত্রা বাড়িয়েছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ ভিয়েতনামি সেনাবাহিনীর সীমান্তবর্তী ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করা এবং মধ্যাঞ্চলীয় উচ্চভূমির মধ্য দিয়ে দেশটিকে কার্যত দুই ভাগে বিচ্ছিন্ন করা। কম্বোডিয়া সীমান্তসংলগ্ন চু পং পর্বতের ঘন জঙ্গল উত্তর ভিয়েতনামের সৈন্যদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও রসদ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। এই এলাকায় শত্রু উপস্থিতির খবর পেয়ে মার্কিন প্রথম অশ্বারোহী ডিভিশন অভিযান শুরু করে। নামের সঙ্গে অশ্বারোহী শব্দটি থাকলেও এটি ছিল নতুন ধরনের আকাশগতিশীল বাহিনী, যার প্রধান বাহন ছিল হেলিকপ্টার।

১৪ নভেম্বর মার্কিন সেনাদের একটি দল ইয়া দ্রাং উপত্যকার ল্যান্ডিং জোন এক্স-রে নামের একটি খোলা স্থানে হেলিকপ্টারে অবতরণ করে। স্থানটি চু পং পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত ছিল, যেখানে উত্তর ভিয়েতনামের একাধিক ব্যাটালিয়ন অবস্থান করছিল। মার্কিন সেনারা পূর্ণ শক্তিতে নামার আগেই উত্তর ভিয়েতনামি বাহিনী বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমণ শুরু করে। ছোট অবতরণক্ষেত্রে একবারে সীমিতসংখ্যক হেলিকপ্টার নামতে পারায় সৈন্য, গোলাবারুদ ও আহতদের পরিবহন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উত্তর ভিয়েতনামি সেনারা দ্রুত মার্কিন অবস্থানের খুব কাছে চলে আসার চেষ্টা করেছিল। তারা বুঝেছিল, দুই বাহিনীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে পারলে মার্কিন কামান ও যুদ্ধবিমান নিজেদের সৈন্যকে আঘাত করার আশঙ্কায় পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করতে পারবে না। মার্কিন সেনারা প্রতিরক্ষাবলয় গড়ে আর্টিলারি, হেলিকপ্টার গানশিপ ও বিমান হামলার সহায়তায় একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে। কয়েকটি অবস্থানে হাতাহাতির কাছাকাছি দূরত্বে লড়াই হয়। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া একটি মার্কিন প্লাটুন রাতভর ঘেরাও অবস্থায় টিকে থাকে।

কয়েক দিনের যুদ্ধের পর উত্তর ভিয়েতনামি বাহিনী চু পংয়ের জঙ্গলে সরে যায়। যুক্তরাষ্ট্র বিপুলসংখ্যক শত্রুসেনা হত্যার দাবি করে এবং যুদ্ধটিকে আকাশগতিশীল কৌশলের সাফল্য হিসেবে দেখে। কিন্তু ১৭ নভেম্বর ল্যান্ডিং জোন আলবেনির দিকে পদযাত্রার সময় আরেকটি মার্কিন বাহিনী উত্তর ভিয়েতনামিদের আকস্মিক হামলার মুখে পড়ে। ঘন জঙ্গলে দীর্ঘ সারিতে ছড়িয়ে থাকা সেনারা দ্রুত সংগঠিত হতে পারেনি এবং ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ইয়া দ্রাং দেখিয়েছিল, হেলিকপ্টার মার্কিন বাহিনীকে দ্রুত যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে দিতে পারে, কিন্তু অবতরণের পর জঙ্গলের ভেতর শত্রুর কৌশল ও ভূখণ্ডের নিয়মই কার্যকর হয়ে ওঠে।

ওয়েস্টমোরল্যান্ডের কাছে ইয়া দ্রাং প্রমাণ করেছিল যে মার্কিন অগ্নিশক্তি দিয়ে উত্তর ভিয়েতনামের বড় ইউনিটকে এমন হারে ক্ষতিগ্রস্ত করা সম্ভব, যা তারা দীর্ঘদিন সহ্য করতে পারবে না। এই ধারণা থেকেই ক্ষয়যুদ্ধ আরও গুরুত্ব পায়। মার্কিন বাহিনীকে গ্রাম, বন, পাহাড় ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাঠিয়ে শত্রুকে খুঁজে বের করা হতো। শত্রুর অবস্থান শনাক্ত হলে কামান, হেলিকপ্টার গানশিপ, যুদ্ধবিমান কিংবা বি-৫২ বোমারু বিমানের আঘাত ডাকা হতো। অভিযান শেষে সেনারা সাধারণত নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে যেত।

কিন্তু যুদ্ধের সাফল্য পরিমাপের জন্য ভূখণ্ড দখল বা জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে নিহত শত্রুর সংখ্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এভাবে ‘বডি কাউন্ট’ সামরিক অগ্রগতির প্রধান সূচকে পরিণত হয়। ইউনিটগুলোর ওপর বেশি শত্রু হত্যার সংখ্যা দেখানোর চাপ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে হিসাব অতিরঞ্জিত করা হতো। গোলাবর্ষণ বা বিমান হামলায় নিহত বেসামরিক মানুষকেও কখনো শত্রু যোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতো। ফলে কাগজে বহু অভিযান সফল দেখালেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভিয়েত কংয়ের রাজনৈতিক প্রভাব অক্ষত থাকত।

ভিয়েত কংয়ের শক্তি প্রচলিত সেনাবাহিনীর মতো শুধু অস্ত্র ও সৈন্যসংখ্যার ওপর নির্ভর করত না। গ্রামাঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক কর্মী, গোয়েন্দা, রসদসংগ্রাহক এবং স্থানীয় গেরিলাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছিল। কোনো গ্রামে দিনে দক্ষিণ ভিয়েতনামি সরকারের পতাকা উড়লেও রাতে সেখানে ভিয়েত কং বৈঠক করতে, কর সংগ্রহ করতে কিংবা নতুন সদস্য নিতে পারত। কৃষকের পোশাক পরা একজন ব্যক্তি দিনের বেলা মাঠে কাজ করে রাতে গেরিলা হিসেবে অভিযানে অংশ নিতে পারতেন। ফলে মার্কিন সেনাদের পক্ষে যোদ্ধা ও সাধারণ গ্রামবাসীকে আলাদা করা অত্যন্ত কঠিন ছিল।

গেরিলারা সাধারণত নিজেদের সুবিধাজনক সময় ও স্থানে যুদ্ধ করত। ছোট টহলদলের ওপর আকস্মিক হামলা, সড়কের পাশে বিস্ফোরক, মর্টার নিক্ষেপ, সামরিক ঘাঁটিতে রাতের আক্রমণ এবং দ্রুত পশ্চাদপসরণ ছিল তাদের পরিচিত কৌশল। বাঁশ বা ধাতুর ধারালো ফাঁদ, লুকানো গর্ত, গ্রেনেডযুক্ত তার এবং অবিস্ফোরিত মার্কিন গোলা থেকে তৈরি বিস্ফোরক সেনাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলত। এসব ফাঁদে মোট হতাহতের অনুপাত সব সময় সর্বোচ্চ না হলেও এগুলো মার্কিন সেনাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ভয় ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করত।

ভিয়েত কং বিস্তৃত সুড়ঙ্গব্যবস্থা ব্যবহার করত। এর মধ্যে অস্ত্রাগার, চিকিৎসাকক্ষ, রান্নাঘর, বৈঠকের স্থান, ঘুমানোর কক্ষ এবং একাধিক গোপন প্রবেশপথ থাকতে পারত। মার্কিন বাহিনী কোনো গ্রাম তল্লাশি করলে গেরিলারা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকত এবং সেনারা চলে যাওয়ার পর আবার বেরিয়ে আসত। কু চির মতো অঞ্চলে বহুস্তরবিশিষ্ট সুড়ঙ্গগুলো এত জটিল ছিল যে সেগুলো অনুসন্ধানের জন্য ছোটখাটো গড়নের বিশেষ সৈন্য ব্যবহার করা হতো, যারা “টানেল র‍্যাট” নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

জঙ্গল নিজেই একটি কার্যকর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল। ঘন বৃক্ষচ্ছাদন আকাশ থেকে চলাচল পর্যবেক্ষণ কঠিন করে তুলত, বর্ষাকালে সড়ক কাদায় পরিণত হতো এবং তাপ, আর্দ্রতা, জোঁক, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য রোগ সেনাদের দুর্বল করে দিত। অপরিচিত ভূখণ্ডে মার্কিন সেনারা মানচিত্র ও যন্ত্রের ওপর নির্ভর করলেও স্থানীয় গেরিলারা নদী, পাহাড়, গ্রাম ও জঙ্গলের গোপন পথ জানত। তারা মার্কিন বাহিনীর চলাচল পর্যবেক্ষণ করে সংঘর্ষ এড়াতে অথবা উপযুক্ত স্থানে ফাঁদ পাততে পারত।

এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রধান রসদধমনি ছিল হো চি মিন ট্রেইল। উত্তর ভিয়েতনাম থেকে লাওস ও কম্বোডিয়ার মধ্য দিয়ে দক্ষিণে বিস্তৃত এই ব্যবস্থা কোনো একক রাস্তা ছিল না; এটি ছিল পরস্পরসংযুক্ত অসংখ্য পথ, সেতু, নদীপথ, গুদাম, চিকিৎসাকেন্দ্র ও শিবিরের জাল। প্রথমদিকে মালবাহী সাইকেল ও মানুষের কাঁধে রসদ পরিবহন করা হলেও পরে ট্রাক চলাচলের উপযোগী সড়ক, জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা এবং যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্র ট্রেইল বন্ধ করতে ব্যাপক বিমান হামলা, বৈদ্যুতিন শনাক্তকারী যন্ত্র এবং বিশেষ বাহিনীর অভিযান চালায়। কিন্তু উত্তর ভিয়েতনামিরা রাতে চলাচল করত, গাছপালার নিচে যানবাহন লুকিয়ে রাখত এবং বোমায় রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত বিকল্প পথ তৈরি করত। হাজার হাজার শ্রমিক প্রতিনিয়ত বোমার গর্ত ভরাট ও সেতু পুনর্নির্মাণ করতেন। একটি পথে চাপ বাড়লে সরবরাহ অন্য পথে সরিয়ে নেওয়া হতো। মার্কিন বিমানশক্তি রসদ পরিবহনকে ধীর ও ব্যয়বহুল করতে পেরেছিল, কিন্তু দক্ষিণমুখী প্রবাহ বন্ধ করতে পারেনি।

সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয় অভিযানে কোনো গ্রাম ভিয়েত কংকে সহায়তা করছে বলে সন্দেহ হলে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া, ঘরবাড়ি পোড়ানো বা এলাকাটিকে ভারী গোলাবর্ষণের লক্ষ্য করার ঘটনা ঘটত। কিছু অঞ্চলকে “মুক্ত গোলাবর্ষণ এলাকা” ঘোষণা করে সেখানে থাকা ব্যক্তিদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এর ফলে বহু কৃষক গ্রাম ছেড়ে শরণার্থীশিবির বা শহরের বস্তিতে আশ্রয় নেয়। ভিয়েত কংকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে এসব অভিযান কখনো কখনো পরিবারগুলোর ক্ষোভ বাড়িয়ে বিদ্রোহীদের নতুন সমর্থক ও সদস্য সংগ্রহের সুযোগ করে দেয়।

মার্কিন বাহিনী প্রায় প্রতিটি বড় সরাসরি সংঘর্ষে শত্রুর তুলনায় বেশি অগ্নিশক্তি প্রয়োগ করতে এবং যুদ্ধক্ষেত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম ছিল। কিন্তু উত্তর ভিয়েতনাম ও ভিয়েত কংয়ের লক্ষ্য প্রতিটি যুদ্ধে জয়লাভ করা ছিল না। তারা ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করে বাহিনী পুনর্গঠন করত, প্রয়োজন হলে সীমান্তের ওপারে সরে যেত এবং পরে আবার ফিরে আসত। তাদের কৌশল ছিল যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ধৈর্য, জনসমর্থন ও সেনাদের মনোবল ক্ষয় করা। তারা জানত, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা সম্ভব নয়; কিন্তু যুদ্ধের মূল্য অসহনীয় করে তুললে তাকে প্রত্যাহারে বাধ্য করা যেতে পারে।

ইয়া দ্রাং থেকে সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়ের ইতিহাস তাই প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব ও রাজনৈতিক ফলাফলের মধ্যকার ব্যবধানের ইতিহাস। হেলিকপ্টার, বিমান, কামান ও আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে যেকোনো স্থানে দ্রুত বিপুল শক্তি প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু সেই শক্তি জঙ্গল নিয়ন্ত্রণ, গোপন রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ধ্বংস, হো চি মিন ট্রেইল বন্ধ কিংবা কৃষকদের স্থায়ী আস্থা অর্জন করতে পারেনি। ভিয়েত কং ও উত্তর ভিয়েতনাম ভূখণ্ড, সময়, গোপনীয়তা এবং দীর্ঘ যুদ্ধের মানসিক চাপকে কাজে লাগিয়ে এমন এক প্রতিপক্ষ হিসেবে টিকে ছিল, যাকে শুধু খুঁজে বের করে ধ্বংস করার সামরিক সূত্র দিয়ে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি।


আপনার পছন্দ হতে পারে