ইনচন অবতরণ ও সিউল পুনর্দখল: ম্যাকআর্থারের দুঃসাহসী অভিযানে কোরীয় যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন
সিরিজ: কোরীয় যুদ্ধ
ইনচন অবতরণে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন
১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে কোরীয় যুদ্ধ এমন এক সংকটপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছিল, যেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছিল পুসান প্রতিরক্ষা বলয়ের ওপর। উত্তর কোরিয়ার বাহিনী উপদ্বীপের অধিকাংশ এলাকা দখল করে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে জাতিসংঘ ও দক্ষিণ কোরীয় সেনাদের চেপে ধরেছিল। নাকতং নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রতিরক্ষা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, আর পুসান বন্দর হারিয়ে গেলে জাতিসংঘ বাহিনীকে কোরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। ঠিক এই সময় জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার সম্মুখযুদ্ধে আরও সেনা পাঠানোর পরিবর্তে শত্রুর অনেক পেছনে ইনচন বন্দরে এক দুঃসাহসী উভচর অবতরণের পরিকল্পনা করেন। অপারেশন ক্রোমাইট নামের এই অভিযান সফল হলে উত্তর কোরীয় বাহিনীর সরবরাহপথ বিচ্ছিন্ন হবে, সিউল পুনর্দখলের সুযোগ তৈরি হবে এবং পুসান বলয়ের ওপর চাপ ভেঙে পড়বে।
ইনচন ছিল কোরিয়ার পশ্চিম উপকূলে, সিউল থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি বন্দর। মানচিত্রে স্থানটি আকর্ষণীয় মনে হলেও সামরিক অবতরণের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক। ইনচনের জোয়ারভাটার ব্যবধান পৃথিবীর সর্বোচ্চগুলোর মধ্যে ছিল। ভাটার সময় বন্দরজুড়ে বিস্তৃত কাদাময় ভূমি উন্মুক্ত হয়ে যেত, যেখানে নৌযান আটকে পড়তে পারত। বন্দরে প্রবেশের পথ ছিল সরু ও আঁকাবাঁকা; শত্রু কামান বসিয়ে দিলে জাহাজগুলো সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারত। উপকূলের অনেক অংশে সাধারণ সৈকতের পরিবর্তে উঁচু সমুদ্রপ্রাচীর ছিল, যা অতিক্রম করতে সেনাদের বিশেষ মই ব্যবহার করতে হতো। অবতরণের উপযুক্ত জোয়ারও দিনে মাত্র সীমিত সময়ের জন্য পাওয়া যেত।
মার্কিন নৌবাহিনী ও মেরিন বাহিনীর অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পরিকল্পনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, একটি জাহাজ ডুবে গেলেই সংকীর্ণ জলপথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জোয়ারের সময়সূচিতে সামান্য ভুল হলে প্রথম দফায় নামা সেনারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। উত্তর কোরিয়া আগাম খবর পেলে উঁচু ভূমি ও সমুদ্রপ্রাচীর থেকে অবতরণকারী বাহিনীকে ধ্বংস করতে পারবে। বিকল্প হিসেবে তুলনামূলক সহজ অন্য স্থানে অবতরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ম্যাকআর্থারের যুক্তি ছিল, ইনচনের কঠিন ভূপ্রকৃতিই অভিযানটিকে অপ্রত্যাশিত করে তুলেছে। শত্রু যেখানে আক্রমণ অসম্ভব মনে করবে, সেখানেই আকস্মিক আঘাত সবচেয়ে কার্যকর হবে।
ইনচন বেছে নেওয়ার পেছনে আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এর কৌশলগত অবস্থান। বন্দরের পূর্বদিকে ছিল সিউল, যা শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী নয়, উপদ্বীপের প্রধান যোগাযোগ ও পরিবহনকেন্দ্রও ছিল। উত্তর কোরীয় বাহিনীর অধিকাংশ রসদ সিউল হয়ে দক্ষিণের রণাঙ্গনে পৌঁছাচ্ছিল। ইনচন দখল করে দ্রুত সিউলের দিকে অগ্রসর হলে এই রেলপথ, সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হতো। তখন পুসান বলয়ে যুদ্ধরত উত্তর কোরীয় সেনারা সামনে জাতিসংঘ বাহিনী এবং পেছনে ইনচন থেকে অগ্রসরমান বাহিনীর মধ্যে আটকা পড়ত।
অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় নবগঠিত মার্কিন দশম কোরকে। এর অধিনায়ক ছিলেন মেজর জেনারেল এডওয়ার্ড আলমন্ড, আর মূল আক্রমণকারী বাহিনী ছিল অভিজ্ঞ প্রথম মেরিন ডিভিশন। তাদের সঙ্গে মার্কিন সপ্তম পদাতিক ডিভিশন, দক্ষিণ কোরীয় মেরিন ও অন্যান্য সহায়তাকারী ইউনিট যুক্ত ছিল। অবতরণের আগে বিমান হামলা ও নৌগোলাবর্ষণের মাধ্যমে উত্তর কোরীয় প্রতিরক্ষা দুর্বল করার পরিকল্পনা করা হয়। অভিযানের সাফল্যের জন্য জোয়ারের সুনির্দিষ্ট সময়, নৌযানের গতিপথ, অবতরণক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য এবং শত্রুর অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
১৯৫০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভোরে অভিযান শুরু হয়। প্রথম লক্ষ্য ছিল ইনচন বন্দরের প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণকারী ছোট কিন্তু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওলমি-দ্বীপ। দ্বীপের উঁচু ভূমিতে উত্তর কোরীয় কামান ও প্রতিরক্ষা অবস্থান থাকলে মূল অবতরণকারী জাহাজগুলো বিপদের মুখে পড়ত। নৌ ও বিমান হামলার পর মার্কিন মেরিনরা ‘গ্রিন বিচ’ নামে নির্ধারিত স্থানে অবতরণ করে। এম২৬ পার্শিং ট্যাংকের সহায়তায় তারা অল্প কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দ্বীপের প্রধান প্রতিরোধ দমন করে। এরপর জোয়ার নেমে যাওয়ায় মূল বাহিনীকে পরবর্তী উচ্চ জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
বিকেলে জোয়ার ফিরে এলে অভিযানটির সবচেয়ে নাটকীয় পর্যায় শুরু হয়। মেরিন সেনারা ‘রেড বিচ’ ও ‘ব্লু বিচ’-এ অগ্রসর হয়। রেড বিচে তাদের মই বেয়ে সমুদ্রপ্রাচীর অতিক্রম করতে হয়েছিল। কিছু স্থানে প্রতিরোধের মুখে পড়লেও ব্যাপক নৌগোলাবর্ষণ, বিমান সহায়তা এবং উত্তর কোরীয় বাহিনীর অপ্রস্তুত অবস্থার কারণে অবতরণ থামানো যায়নি। ব্লু বিচ দিয়ে নামা সেনারা বন্দর এলাকার দক্ষিণাংশে অবস্থান সুসংহত করে। দিন শেষে জাতিসংঘ বাহিনী ইনচনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে একটি নিরাপদ অবতরণক্ষেত্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
অভিযানে ম্যাকআর্থারের সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল সম্পূর্ণ কৌশলগত বিস্ময়। উত্তর কোরীয় নেতৃত্ব ইনচনে হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি উপেক্ষা করেনি, কিন্তু সেখানে বড় আকারের প্রতিরক্ষা গড়ার মতো পর্যাপ্ত সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করেনি। তাদের সেরা বাহিনীর অধিকাংশ তখন পুসান প্রতিরক্ষা বলয় ভাঙার চেষ্টায় দক্ষিণে ব্যস্ত ছিল। ফলে ইনচনে অবতরণকারী শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও সমন্বিত পাল্টা আক্রমণ চালানো সম্ভব হয়নি। জোয়ার, কাদা ও সমুদ্রপ্রাচীরের যে প্রতিবন্ধকতাগুলো জাতিসংঘ বাহিনীকে ধ্বংস করতে পারত, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও দুর্বল প্রতিরোধের কারণে সেগুলো অতিক্রম করা সম্ভব হয়।
ইনচন দখলের পর জাতিসংঘ বাহিনী সিউলের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। পথে তারা কিম্পো বিমানঘাঁটি দখল করে, যার ফলে রাজধানীর কাছে যুদ্ধবিমান পরিচালনা ও রসদ পরিবহন সহজ হয়। কিন্তু ইনচনের তুলনায় সিউল পুনর্দখলের লড়াই অনেক কঠিন ছিল। শহরটি হান নদী দ্বারা সুরক্ষিত ছিল এবং উত্তর কোরীয় সেনারা সেতু, রাস্তা, ভবন ও পাহাড়ি এলাকাকে ব্যবহার করে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। শহরের দিকে যাওয়ার পথে ইয়ংদুংপোসহ শিল্পাঞ্চলে তীব্র যুদ্ধ হয়। জাতিসংঘ বাহিনীকে নদী অতিক্রম করে ঘনবসতিপূর্ণ নগরীর ভেতর ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়।
সিউলের রাস্তায় উত্তর কোরীয় সেনারা প্রতিবন্ধকতা, ব্যারিকেড ও সুরক্ষিত অবস্থান তৈরি করেছিল। মেরিনরা ট্যাংক, কামান ও বিমান সহায়তা নিয়ে বাড়ি থেকে বাড়ি এবং রাস্তা থেকে রাস্তায় যুদ্ধ করে। নগরযুদ্ধে সামরিক ও বেসামরিক এলাকার সীমা অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। গোলাবর্ষণ ও অগ্নিকাণ্ডে শহরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ম্যাকআর্থার দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীর কাছাকাছি সময়ে রাজধানী ফিরিয়ে দিতে আগ্রহী ছিলেন। ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি সিউল মুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিলেও তখনও কয়েকটি এলাকায় যুদ্ধ চলছিল। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শহরের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সিংমান রির সরকারকে প্রতীকীভাবে রাজধানীতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়।
ইনচন অভিযান চলার সময় পুসান প্রতিরক্ষা বলয় থেকেও মার্কিন অষ্টম সেনাবাহিনী ও দক্ষিণ কোরীয় বাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। প্রথমদিকে উত্তর কোরীয়রা প্রবল প্রতিরোধ করে, কিন্তু ইনচন ও সিউল অঞ্চলে তাদের যোগাযোগব্যবস্থা আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। দক্ষিণে থাকা ইউনিটগুলোর কাছে খাদ্য, জ্বালানি, গোলাবারুদ ও নতুন সেনা পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ে। পেছনের পথ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় অনেক উত্তর কোরীয় ইউনিট সংগঠিতভাবে পশ্চাদপসরণ করতে পারেনি। কেউ উত্তরের দিকে পালায়, কেউ ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং বিপুলসংখ্যক সেনা নিহত বা বন্দী হয়।
অবশ্য ইনচন অবতরণ একাই উত্তর কোরীয় বাহিনীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করেনি। পুসান বলয়ে সপ্তাহের পর সপ্তাহ প্রতিরোধ, উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘ সরবরাহপথে বিমান হামলা, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি এবং নতুন জাতিসংঘ সেনা ও অস্ত্রের আগমন তাদের আগেই দুর্বল করে ফেলেছিল। ইনচন সেই দুর্বলতাকে একটি কৌশলগত বিপর্যয়ে রূপান্তর করে। পুসানে প্রতিরোধ না টিকলে ইনচনে অভিযান চালানোর সময় ও নিরাপদ ভিত্তি পাওয়া যেত না; আবার ইনচনের আঘাত ছাড়া পুসান থেকে বেরিয়ে আসা আরও দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী হতে পারত। দুটি অভিযান পরস্পরের পরিপূরক ছিল।
সামরিক দৃষ্টিতে ইনচন ছিল আধুনিক উভচর অভিযানের অন্যতম সাহসী সাফল্য। প্রায় অসম্ভব বলে বিবেচিত উপকূলে নির্দিষ্ট জোয়ারের মধ্যে সেনা নামানো, দ্রুত বন্দর দখল এবং শত্রুর পেছনে আঘাত করার পরিকল্পনা দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়েছিল। এতে ম্যাকআর্থারের ব্যক্তিগত মর্যাদা অসাধারণভাবে বেড়ে যায়। কয়েক সপ্তাহ আগেও যে জাতিসংঘ বাহিনী পুসানের কাছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করছিল, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ তারাই সিউল পুনর্দখল করে উত্তরমুখী অগ্রযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
তবে এই সাফল্য নতুন এক বিপজ্জনক সিদ্ধান্তের পথও খুলে দেয়। মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ কোরিয়া মুক্ত করা এবং উত্তর কোরীয় আগ্রাসন প্রতিহত করা। সিউল পুনর্দখলের পর জাতিসংঘ বাহিনী ৩৮তম সমান্তরালে থামবে, নাকি উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করে সমগ্র উপদ্বীপকে সিংমান রির সরকারের অধীনে একত্র করবে—এই প্রশ্ন সামনে আসে। দ্রুত বিজয় ও উত্তর কোরীয় বাহিনীর পতন দেখে ওয়াশিংটন এবং সামরিক নেতৃত্ব উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এই পদক্ষেপ চীনকে সরাসরি যুদ্ধে প্রবেশের দিকে ঠেলে দেয়।
ইনচন অবতরণ কোরীয় যুদ্ধের গতিপথ নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছিল, কিন্তু যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়নি। এটি দক্ষিণ কোরিয়াকে তাৎক্ষণিক পতনের আশঙ্কা থেকে মুক্ত করে, সিউল পুনর্দখল সম্ভব করে এবং উত্তর কোরিয়ার প্রাথমিক বিজয়কে ভয়াবহ পরাজয়ে রূপান্তরিত করে। একই সঙ্গে এই সাফল্য জাতিসংঘ বাহিনীকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং সংঘাতকে উত্তর কোরিয়ার গভীরে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করে। ফলে ম্যাকআর্থারের দুঃসাহসী অভিযান যেমন অসাধারণ সামরিক বিজয়ের প্রতীক, তেমনি এটি কোরীয় যুদ্ধের আরও বিস্তৃত ও বিপজ্জনক অধ্যায়ের সূচনাও ছিল।
ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ ও দাসবাণিজ্য: চিনি ও দাসশ্রম যেভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে সমৃদ্ধ করেছিল
উত্তর আমেরিকায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার: জেমসটাউন থেকে তেরো উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূচনা: সমুদ্রবাণিজ্য, নৌবাহিনী ও উপনিবেশের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের বিশ্বশক্তি হয়ে ওঠার ইতিহাস
কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের অবসান: ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহার, হটলাইন ও নতুন পারমাণবিক কূটনীতি
ব্ল্যাক স্যাটারডে: ইউ-২ ধ্বংস, তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্র ও কেনেডি-ক্রুশ্চেভ সমঝোতা
কেনেডির নৌ অবরোধ ও যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত মুখোমুখি অবস্থান: পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৃথিবী