ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ হত্যার ষড়যন্ত্র: ইয়াং বসনিয়া, ব্ল্যাক হ্যান্ড ও প্রিন্সিপ
সিরিজ: আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ হত্যাকাণ্ড ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা
সারায়েভোর হত্যাকাণ্ডের পেছনে তরুণ বিপ্লবী ও গোপন সামরিক যোগাযোগ।
বলকানের জমে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের বসনিয়া সফরের প্রস্তুতি চলছিল। অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর কাছে এটি ছিল সামরিক মহড়া পরিদর্শন এবং সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশে উপস্থিতি জানানোর সুযোগ। কিন্তু বসনিয়ার কিছু বিপ্লবী তরুণের চোখে তাঁর আগমন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থবহ। তাঁরা দেখছিলেন এমন একজন ভবিষ্যৎ সম্রাটকে, যিনি তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মুক্তির পথে সাম্রাজ্যিক ক্ষমতার প্রতীক। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষ থেকেই জন্ম নেয় সারায়েভোর হত্যার ষড়যন্ত্র, যার পেছনে ছিল ব্যক্তিগত উদ্যোগ, রাজনৈতিক আদর্শ ও গোপন সামরিক যোগাযোগ।
ষড়যন্ত্র বোঝার প্রথম শর্ত হলো ইয়াং বসনিয়া ও ব্ল্যাক হ্যান্ডকে আলাদা করে দেখা। ইয়াং বসনিয়া ছিল মূলত তরুণদের বিপ্লবী আন্দোলন; ব্ল্যাক হ্যান্ড ছিল সার্বিয়াকেন্দ্রিক গোপন জাতীয়তাবাদী সংগঠন, যেখানে সামরিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল। তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা থাকলেও লক্ষ্য, সংগঠন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন এক ছিল না। আবার ব্ল্যাক হ্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত কোনো কর্মকর্তা রাষ্ট্রের পদে থাকলেই তাঁর গোপন কর্মকাণ্ডকে সার্বীয় সরকারের অনুমোদিত নীতি বলা যায় না। এই পার্থক্য উপেক্ষা করলে হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস সহজ হয়, কিন্তু যথার্থ থাকে না।
‘ইয়াং বসনিয়া’ বা ‘ম্লাদা বসনা’ কোনো নিয়মিত সেনাদল ছিল না। এটি ছিল ছাত্র, তরুণ লেখক ও রাজনৈতিক কর্মীদের বিভিন্ন ছোট বৃত্তের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলন। তাঁদের অভিন্ন বিরোধিতার লক্ষ্য ছিল বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় হাবসবার্গ শাসন। ১৯০৮ সালে অঞ্চলটির আনুষ্ঠানিক সংযুক্তি বহু তরুণকে বুঝিয়েছিল যে সাম্রাজ্য তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছে, অথচ সিদ্ধান্তে তাঁদের কার্যকর অংশগ্রহণ নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাঠচক্র ও বন্ধুমহলে এই অসন্তোষ ছড়াত। কেউ সাংস্কৃতিক জাগরণ চাইতেন, কেউ রাজনৈতিক আন্দোলন, আর একটি ছোট অংশ হত্যাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল।
আন্দোলনের মধ্যে বসনীয় সার্বদের প্রাধান্য থাকলেও এটি শুধু একটি জাতি বা ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। কিছু ক্রোয়াট ও মুসলমান তরুণও সাম্রাজ্যবিরোধী রাজনীতিতে অংশ নেন। তাঁদের অনেকের আকাঙ্ক্ষা ছিল দক্ষিণ স্লাভ জনগোষ্ঠীর ঐক্য। তবে সেই ঐক্যের কাঠামো নিয়ে সবার মত এক ছিল না। সার্বিয়ার নেতৃত্বে সংযুক্তি এবং বৃহত্তর যুগোস্লাভ রাষ্ট্রের ধারণা পাশাপাশি চলত। সাম্রাজ্যবিরোধী অবস্থান তাঁদের কাছাকাছি এনেছিল, কিন্তু অভিন্ন ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের বিস্তারিত পরিকল্পনা তাঁদের ছিল না। এই অসম্পূর্ণতার মধ্যেও বিপ্লবের আকর্ষণ প্রবল হয়ে উঠেছিল।
তরুণদের রাজনৈতিক চিন্তায় জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি সমাজবিপ্লব, নৈরাজ্যবাদ এবং ব্যক্তিগত আত্মত্যাগের ধারণাও প্রভাব ফেলেছিল। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন বোগদান জেরায়িচ। ১৯১০ সালে তিনি বসনিয়ার গভর্নর মারিয়ান ভারেশানিনকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা করে আত্মহত্যা করেন। কিছু তরুণ তাঁর ব্যর্থতাকে সতর্কবার্তা হিসেবে না দেখে আত্মত্যাগের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে। ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তিকে আঘাত করলে জনগণ জেগে উঠবে—এমন বিশ্বাস তৈরি হয়। কিন্তু এই ধারণায় রাজনৈতিক হত্যার পরিণতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিপজ্জনক সরলীকরণ ছিল।
গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ এই পরিবেশেরই একজন তরুণ। ১৮৯৪ সালে বসনিয়ার একটি দরিদ্র সার্ব কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম। শিক্ষার জন্য সারায়েভোতে এসে তিনি গ্রামীণ জীবনের বাইরে নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হন। বই, ছাত্রদের আলোচনা এবং সাম্রাজ্যবিরোধী আন্দোলন তাঁর চিন্তাকে প্রভাবিত করে। তিনি অভিজ্ঞ সামরিক যোদ্ধা ছিলেন না; ছিলেন রোগা, অল্পবয়সী এবং রাজনৈতিকভাবে ক্রমশ উগ্র হয়ে ওঠা একজন ছাত্র। তাঁর জীবন দেখায়, বড় রাজনৈতিক সংকট কীভাবে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও আদর্শের সঙ্গে মিশে সহিংস সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে।
পরে বেলগ্রেডে অবস্থানকালে প্রিন্সিপ অন্যান্য বসনীয় তরুণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নেদেলকো চাব্রিনোভিচ ও ত্রিফকো গ্রাবেজ। সার্বিয়ার রাজধানী তাঁদের কাছে স্বাধীন দক্ষিণ স্লাভ রাজনৈতিক জীবনের কেন্দ্র মনে হলেও বাস্তবে তাঁদের জীবন ছিল অনিশ্চিত। স্বল্প অর্থ, অস্থায়ী আশ্রয় ও সমমনাদের সঙ্গে আলোচনা তাঁদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার অংশ ছিল। বলকান যুদ্ধে সার্বিয়ার সাফল্য তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। অটোমান শক্তিকে পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হলে হাবসবার্গ শাসনও চ্যালেঞ্জ করা যাবে—এমন ভাবনা তাঁদের রাজনৈতিক কল্পনাকে আরও তীব্র করে।
এই তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তব হামলার সামর্থ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ব্ল্যাক হ্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সহায়তা। ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ‘ঐক্য অথবা মৃত্যু’। এর লক্ষ্য ছিল সার্ব জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর সংযুক্তি। গোপনীয়তা, শপথ এবং সাংগঠনিক আনুগত্যের ওপর এটি গুরুত্ব দিত। সদস্যদের মধ্যে সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তিও ছিলেন। তবে ব্ল্যাক হ্যান্ডকে শুধু বসনীয় ছাত্রদের আরেক নাম ভাবা ভুল। এটি ছিল ভিন্ন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ক্ষমতার যোগাযোগসম্পন্ন একটি সংগঠন, যার প্রভাব সার্বিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পড়েছিল।
ব্ল্যাক হ্যান্ডের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন দ্রাগুতিন দিমিত্রিয়েভিচ, যিনি ‘আপিস’ নামে পরিচিত। ১৯০৩ সালের সার্বীয় রাজদম্পতি হত্যার অভ্যুত্থানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল; পরে তিনি সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হন। তাঁর প্রভাব এসেছিল সামরিক পদ, সহকর্মীদের আনুগত্য এবং গোপন যোগাযোগের সমন্বয় থেকে। কিন্তু বেসামরিক প্রধানমন্ত্রী নিকোলা পাশিচের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সহযোগিতাপূর্ণ ছিল না। রাষ্ট্র পরিচালনার কর্তৃত্ব ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। ফলে সার্বিয়ার ভেতরেও সরকার ও গোপন সামরিক চক্রের অবস্থান আলাদা ছিল।
১৯১৪ সালের বসন্তে ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের সফরের সংবাদ হত্যার পরিকল্পনাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য দেয়। প্রিন্সিপ, চাব্রিনোভিচ ও গ্রাবেজ অস্ত্র এবং প্রস্তুতির সহায়তা পান। এই যোগাযোগে মেজর ভয়িস্লাভ টানকোসিচ ও মিলান সিগানোভিচের নাম গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মাধ্যমে তরুণেরা অস্ত্র ব্যবহারের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ এবং হামলার উপকরণ পায়। তবে ষড়যন্ত্রের প্রতিটি সিদ্ধান্ত আপিস নিজে কতটা নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তাঁর সম্পৃক্ততা বোঝার জন্য পরবর্তী সাক্ষ্য ও বিচারনথি ব্যবহার করতে হয়, যেগুলো রাজনৈতিক চাপ ও আত্মপক্ষসমর্থনের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়।
অস্ত্র পাওয়ার পরও পরিকল্পনা সফল হওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না। বেলগ্রেড থেকে বসনিয়ায় পৌঁছাতে সীমান্ত পেরোনো, নিরাপদ আশ্রয় এবং বিশ্বস্ত যোগাযোগ দরকার ছিল। গোপন পথ ও সহায়তাকারীদের মাধ্যমে তরুণেরা এবং হামলার উপকরণ বসনিয়ায় আসে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ষড়যন্ত্র কেবল কয়েকজন ছাত্রের আলোচনা ছিল না; বাস্তব সহায়তার একটি বিস্তৃত যোগাযোগব্যবস্থা কাজ করেছিল। আবার সেই ব্যবস্থায় যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পূর্ণ পরিকল্পনা জানতেন—এমনও ধরে নেওয়া যায় না। গোপন কর্মকাণ্ডে সহযোগীদের জ্ঞানের পরিমাণ এবং উদ্দেশ্য প্রায়ই ভিন্ন হয়।
সারায়েভোতে স্থানীয় সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন দানিলো ইলিচ। আরও কয়েকজন তরুণকে পরিকল্পনায় যুক্ত করা হয়, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ভাসো চুব্রিলোভিচ, চভিয়েতকো পোপোভিচ এবং মুহাম্মদ মেহমেদবাশিচ। অংশগ্রহণকারীরা সবাই অভিজ্ঞ হত্যাকারী ছিলেন না। তাঁদের বয়স, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাহসের মাত্রা আলাদা ছিল। পথের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলাকারী রাখার পরিকল্পনা তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কেউ সুযোগ হারালে অন্যজন চেষ্টা করবে। পরিকল্পনাটি ছিল সংগঠিত রাজনৈতিক হত্যার উদ্যোগ, তবে প্রশিক্ষিত বাহিনীর নিখুঁত অভিযান ছিল না।
ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে লক্ষ্য করার পেছনে শুধু তাঁর পদমর্যাদা কাজ করেনি। কিছু জাতীয়তাবাদী আশঙ্কা করত, ভবিষ্যৎ সম্রাট হিসেবে তিনি সাম্রাজ্য সংস্কার করে দক্ষিণ স্লাভদের আনুগত্য ধরে রাখতে পারেন। এমন হলে বাইরের রাষ্ট্রে যোগদানের আকর্ষণ কমবে। কিন্তু তাঁকে নিশ্চিত গণতান্ত্রিক মুক্তিদাতা কিংবা চূড়ান্ত সংস্কারপরিকল্পনার বাস্তবায়নকারী বলা যথার্থ নয়। তাঁর ভাবনায় কর্তৃত্ববাদ, রাজবংশের স্বার্থ এবং হাঙ্গেরীয় রাজনৈতিক প্রাধান্যের বিরোধিতা মিলেছিল। হামলাকারীদের কাছে মূল বিষয় ছিল তিনি কী করতে পারেন বলে তাঁরা বিশ্বাস করছিলেন, তাঁর ভবিষ্যৎ শাসনের নিশ্চিত ফল নয়।
সার্বীয় সরকার আগাম কতটা জানত, সেটিও জটিল প্রশ্ন। পাশিচের কাছে কিছু সংবাদ পৌঁছানো, সীমান্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা এবং অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় কর্তৃপক্ষকে পরোক্ষ সতর্কতার বিষয় নিয়ে ঐতিহাসিক আলোচনা রয়েছে। কিন্তু এসব থেকে বিস্তারিত হত্যার পরিকল্পনা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত টানা যায় না। যুদ্ধক্লান্ত সার্বিয়ার জন্য বৃহৎ সাম্রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত ছিল মারাত্মক ঝুঁকি। একই সঙ্গে গোপন সামরিক যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারের সীমাবদ্ধতাও ছিল। এই অনিশ্চয়তাই পরে রাজনৈতিক অভিযোগকে তীব্র করবে—সহায়তাকারীর সম্পৃক্ততা ও সরকারের আনুষ্ঠানিক দায় এক প্রশ্ন নয়।
অবশেষে ২৮ জুনের সফর সামনে আসে। দিনটি ছিল সার্বীয় ঐতিহাসিক স্মৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিদোভদান, কসোভোর যুদ্ধের স্মরণদিবস। বিপ্লবী তরুণদের কাছে তার প্রতীকী অর্থ ছিল গভীর, যদিও সফরকে উদ্দেশ্যমূলক অপমান হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত প্রমাণ নেই। প্রিন্সিপ ও তাঁর সঙ্গীরা ততক্ষণে রাজনৈতিক বিশ্বাসকে হত্যার প্রস্তুতিতে রূপ দিয়েছেন। তাঁদের হাতে অস্ত্র ছিল, কিন্তু পরবর্তী আন্তর্জাতিক সংকটের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। সারায়েভোর রাস্তায় রাজকীয় মোটরযাত্রার অপেক্ষা শুরু হয়—যেখানে সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক সফর এবং গোপন ষড়যন্ত্র একই সকালে মুখোমুখি হতে চলেছিল।
রোমুলাস ও রেমাস: নেকড়ের দুধে বেঁচে যাওয়া দুই ভাই ও রোমের জন্ম
এনিয়াস থেকে আলবা লঙ্গা: রোমুলাস ও রেমাসের জন্মের পৌরাণিক ইতিহাস
এনিয়াসের কিংবদন্তি: ট্রয় থেকে ইতালিতে রোমের পূর্বপুরুষের অভিযাত্রা
রোমান পুরাণের উৎপত্তি: ইতালীয় বিশ্বাস ও গ্রিক প্রভাবে দেবদেবীর জগৎ
হলোকাস্ট ও ফাইনাল সলিউশন: ঘেটো, আইনজাটসগ্রুপেন ও গণহত্যার ইতিহাস
নাৎসি সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তার: ১৯৪২ সালে হিটলারের ইউরোপীয় আধিপত্য