বাংলায় জানার নতুন ঠিকানা

পলাশী থেকে বক্সারের যুদ্ধ: বাংলা দখল ও ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

সিরিজ: ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার

পলাশী থেকে বক্সারের যুদ্ধ: বাংলা দখল ও ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
পলাশী থেকে বক্সার—বাংলার সম্পদে নির্মিত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত্তি

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানে সংঘটিত লড়াইটি সামরিক দিক থেকে খুব বড় যুদ্ধ ছিল না। কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষ, সীমিত প্রাণহানি এবং নবাবের অধিকাংশ সেনাপতির নিষ্ক্রিয়তার মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিণতির বিচারে এটি ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়। পলাশীর আগে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল বাংলায় বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত একটি বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; পলাশীর পরে সেটি নবাব নির্বাচন, রাজকোষ নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলার রাজনীতিতে সিদ্ধান্তমূলক হস্তক্ষেপকারী শক্তিতে পরিণত হয়। সাত বছর পর বক্সারের যুদ্ধে বিজয় এবং ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি অধিকার লাভের মাধ্যমে কোম্পানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ভূখণ্ডভিত্তিক শাসকে রূপান্তরিত হয়। পলাশী বাংলার দরবারের দরজা খুলেছিল, আর বক্সার কোম্পানির হাতে সেই দরবারের অর্থ ও সার্বভৌম ক্ষমতা তুলে দিয়েছিল।

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি বাংলা ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশগুলোর একটি। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার উর্বর কৃষিজমি, মসলিন ও রেশমশিল্প, নীল, লবণ, চিনি এবং বিস্তৃত নদীবাণিজ্য অঞ্চলটিকে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। মুঘল সম্রাট ফররুখসিয়ারের ১৭১৭ সালের ফরমান অনুযায়ী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিজস্ব বাণিজ্যে বিশেষ শুল্কসুবিধা পেয়েছিল। কিন্তু কোম্পানির অনেক কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ব্যবসায়ও শুল্কমুক্ত দস্তক ব্যবহার করতে শুরু করেন। এতে নবাবের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শুল্ক প্রদানকারী ভারতীয় ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়েন।

১৭৫৬ সালে আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর তার নাতি সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন। তরুণ নবাবের বিরুদ্ধে দরবারের ভেতরেই শক্তিশালী বিরোধী গোষ্ঠী ছিল। সেনাপতি মীর জাফর, প্রভাবশালী ব্যাংকার জগৎশেঠ পরিবার, রায় দুর্লভ এবং অসন্তুষ্ট অভিজাতদের অনেকে সিরাজকে অপসারণ করতে আগ্রহী ছিলেন। অন্যদিকে কোম্পানি কলকাতায় নবাবের অনুমতি ছাড়া দুর্গ মজবুত করছিল, শুল্কসুবিধার অপব্যবহার করছিল এবং নবাবের বিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছিল। সিরাজউদ্দৌলা এসব কার্যকলাপকে নিজের কর্তৃত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন এবং ১৭৫৬ সালের জুনে কলকাতা দখল করেন।

মাদ্রাজ থেকে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে কোম্পানির বাহিনী এসে ১৭৫৭ সালের শুরুতে কলকাতা পুনর্দখল করে। এরপর নবাবের সঙ্গে আলীনগরের চুক্তি হলেও কোম্পানি গোপনে তাকে অপসারণের প্রস্তুতি নিতে থাকে। মীর জাফরকে নবাব বানানোর প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে কোম্পানির পক্ষে আনা হয়। জগৎশেঠসহ ষড়যন্ত্রকারীরা অর্থ ও রাজনৈতিক যোগাযোগ দিয়ে পরিকল্পনাকে সহায়তা করেন। ব্যবসায়ী উমিচাঁদ গোপন চুক্তি প্রকাশের হুমকি দিলে তাকে প্রতারণা করতে একটি আসল ও একটি নকল চুক্তিপত্র তৈরি করা হয়। পলাশীর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই গোপন দরকষাকষির টেবিলে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের শর্ত অনেকাংশে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল।

পলাশীতে সিরাজউদ্দৌলার বাহিনী সংখ্যায় কোম্পানির সেনাদের তুলনায় অনেক বড় ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ মীর জাফর, রায় দুর্লভ ও ইয়ার লতিফের অধীনে নিষ্ক্রিয় থাকে। শুধু মীর মদন, মোহনলাল এবং কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মকর্তা প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বর্ষার বৃষ্টিতে নবাবের বাহিনীর বারুদ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোম্পানির সৈন্যরা তাদের বারুদ ত্রিপল দিয়ে রক্ষা করেছিল। মীর মদন কামানের গোলায় নিহত হলে নবাবের মনোবল ভেঙে পড়ে। বিভ্রান্তিকর পরামর্শে তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করেন এবং তার সেনাবাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে সিরাজউদ্দৌলা বন্দী ও নিহত হন।

পলাশীর বিজয়ের পর মীর জাফরকে বাংলার নবাব করা হয়। বিনিময়ে তিনি কোম্পানি, কলকাতার ইউরোপীয় বাসিন্দা, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিপুল অর্থ প্রদান করেন। রবার্ট ক্লাইভ ব্যক্তিগতভাবে বিশাল সম্পদ লাভ করেন। কোম্পানি চব্বিশ পরগনার জমিদারিও পায়। বাংলার রাজকোষ থেকে এই বিপুল অর্থ বেরিয়ে যাওয়ায় নবাবের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। মীর জাফর নামমাত্র নবাব থাকলেও সামরিক ও আর্থিকভাবে কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। বাংলার নবাবি ক্ষমতা তখন থেকেই কোম্পানির বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার যন্ত্রে পরিণত হতে শুরু করে।

কোম্পানির ক্রমবর্ধমান আর্থিক দাবি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৭৬০ সালে মীর জাফরকে সরিয়ে তার জামাতা মীর কাসিমকে নবাব করা হয়। বিনিময়ে কোম্পানি বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রামের রাজস্ব লাভ করে। কিন্তু মীর কাসিম কোম্পানির পুতুল হয়ে থাকতে চাননি। তিনি রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গেরে সরিয়ে নেন, রাজস্বব্যবস্থা সংস্কার করেন এবং ইউরোপীয় পদ্ধতিতে সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। তার লক্ষ্য ছিল বাংলার প্রশাসনিক স্বাধীনতা ও আর্থিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা।

সংঘাতের প্রধান কারণ হয়ে ওঠে কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত বাণিজ্য। তারা দস্তকের অপব্যবহার করে লবণ, সুপারি, তামাক ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ পণ্যে শুল্ক এড়িয়ে যেতেন। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের শুল্ক দিতে হলেও ইংরেজ কর্মচারীরা প্রায় শুল্কমুক্ত থাকায় নবাবের রাজস্ব কমে যায় এবং বাজারে গুরুতর বৈষম্য সৃষ্টি হয়। সমতা ফিরিয়ে আনতে মীর কাসিম সব অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যশুল্ক বাতিল করেন। এতে ভারতীয় ও ইংরেজ ব্যবসায়ী সমান অবস্থায় এলেও কোম্পানি নিজেদের বিশেষ সুবিধা হারাতে রাজি হয়নি। বিরোধ দ্রুত সশস্ত্র সংঘর্ষে রূপ নেয়।

১৭৬৩ সালে কাটোয়া, গিরিয়া ও উদয়নালার যুদ্ধে মীর কাসিমের বাহিনী পরাজিত হয়। তিনি অযোধ্যায় পালিয়ে গিয়ে সেখানকার নবাব শুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয়ের সঙ্গে জোট গঠন করেন। তিন পক্ষের লক্ষ্য এক ছিল না—মীর কাসিম বাংলা পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন, শুজাউদ্দৌলা কোম্পানির অগ্রগতি ঠেকাতে চেয়েছিলেন এবং শাহ আলম নিজের সাম্রাজ্যিক কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা করেছিলেন। তবু কোম্পানির বিরুদ্ধে তারা একটি শক্তিশালী সম্মিলিত বাহিনী গড়ে তুলতে সক্ষম হন।

১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সারে মেজর হেক্টর মনরোর নেতৃত্বাধীন কোম্পানির বাহিনীর সঙ্গে সম্মিলিত বাহিনীর যুদ্ধ হয়। পলাশীর বিপরীতে বক্সার ছিল প্রকৃত অর্থে একটি সুসংগঠিত ও তীব্র সামরিক সংঘর্ষ। প্রতিপক্ষের বাহিনী সংখ্যায় বড় হলেও নেতৃত্বের সমন্বয়ের অভাব, ভিন্ন রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং দুর্বল শৃঙ্খলা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। কোম্পানির প্রশিক্ষিত পদাতিক বাহিনী, নিয়মিত গোলাবর্ষণ ও সংগঠিত রণকৌশল শেষ পর্যন্ত বিজয় নিশ্চিত করে। এই পরাজয়ের পর মুঘল সম্রাট ও অযোধ্যার নবাব উভয়েই কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতায় বাধ্য হন, আর মীর কাসিম রাজনৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েন।

বক্সারের গুরুত্ব পলাশীর চেয়েও বিস্তৃত ছিল। পলাশীতে কোম্পানি বাংলার একজন নবাবকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরাজিত করেছিল; বক্সারে তারা বাংলা থেকে বিতাড়িত নবাব, অযোধ্যার শক্তিশালী শাসক এবং মুঘল সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনীকে প্রকাশ্য যুদ্ধে হারায়। ফলে কোম্পানির সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব উত্তর ভারতের রাজশক্তিগুলোর সামনে প্রতিষ্ঠিত হয়। পলাশী কোম্পানিকে বাংলার রাজনীতির নিয়ন্ত্রক করেছিল, আর বক্সার তাকে ভারতীয় রাজনীতির স্বীকৃত শক্তিতে পরিণত করেছিল।

১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ অযোধ্যার নবাব ও মুঘল সম্রাটের সঙ্গে এলাহাবাদের চুক্তি সম্পাদন করেন। শাহ আলম দ্বিতীয় বার্ষিক অর্থপ্রদানের বিনিময়ে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি বা রাজস্ব সংগ্রহের অধিকার দেন। নবাবের হাতে অপরাধবিচার ও আনুষ্ঠানিক প্রশাসনের দায়িত্ব রাখা হলেও অর্থের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় কোম্পানির কাছে। এভাবে বাংলায় তথাকথিত দ্বৈত শাসন চালু হয়—কোম্পানির হাতে প্রকৃত ক্ষমতা, কিন্তু জনকল্যাণ ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার আনুষ্ঠানিক দায় নবাবের ওপর।

দেওয়ানি লাভের আগে কোম্পানিকে ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য ব্রিটেন থেকে সোনা ও রুপা আনতে হতো। এখন বাংলার কৃষক ও জমিদারদের কাছ থেকে সংগৃহীত রাজস্ব দিয়েই মসলিন, রেশম, নীল ও অন্যান্য পণ্য কেনা সম্ভব হলো। সেই পণ্য ইউরোপে বিক্রি করে কোম্পানি মুনাফা অর্জন করত। বাংলার রাজস্ব কোম্পানির সেনাবাহিনী রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরবর্তী ভূখণ্ড দখলের খরচও বহন করত। অর্থাৎ বাংলার সম্পদ ব্যবহার করেই কোম্পানি ভারতে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তারের সামরিক যন্ত্র তৈরি করেছিল।

এই পরিবর্তনের ভার সবচেয়ে বেশি পড়ে কৃষক, তাঁতি ও সাধারণ মানুষের ওপর। কোম্পানি এবং তার নিযুক্ত রাজস্ব সংগ্রাহকেরা স্বল্প সময়ে সর্বাধিক অর্থ আদায়ে আগ্রহী ছিল। তাঁতিদের অনেককে অগ্রিম অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট দামে কোম্পানিকে কাপড় দিতে বাধ্য করা হতো, ফলে স্বাধীন বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ কমে যায়। কৃষকদের ওপর রাজস্বচাপ বাড়ে এবং প্রশাসনের জবাবদিহি দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৭৬৯–৭৩ সালের ভয়াবহ বাংলার দুর্ভিক্ষে ফসলহানি ও প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সঙ্গে এই শোষণমূলক রাজস্বব্যবস্থা পরিস্থিতিকে আরও মারাত্মক করে তোলে। বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হলেও কোম্পানির প্রধান উদ্বেগ ছিল রাজস্ব ও লভ্যাংশ রক্ষা করা।

বাংলার বিপুল সম্পদ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা এবং ব্রিটিশ রাষ্ট্রকে লাভবান করলেও দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা কোম্পানিকে আর্থিক সংকটেও ফেলে। ভারত থেকে সম্পদ নিয়ে ফেরা কর্মকর্তারা ব্রিটেনে নতুন ধনী শ্রেণি গড়ে তোলেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব কিনতে শুরু করেন। কোম্পানির শাসনের পরিণতি নিয়ে ব্রিটিশ সংসদে উদ্বেগ বাড়লে ১৭৭৩ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্টের মাধ্যমে প্রথমবার তার ভারতীয় প্রশাসনের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে যায়, একটি বাণিজ্যিক কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্য ক্রমেই ব্রিটিশ রাষ্ট্রের সাম্রাজ্যে পরিণত হচ্ছে।

পলাশী থেকে বক্সার পর্যন্ত আট বছরের ঘটনাপ্রবাহ তাই শুধু বাংলার নবাব পরিবর্তনের ইতিহাস নয়। এটি ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা, সামরিক শৃঙ্খলা, ভারতীয় অভিজাতদের বিভাজন এবং রাজস্ব নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে সংঘটিত এক মৌলিক ক্ষমতা হস্তান্তর। পলাশীতে কোম্পানি নবাব বানানোর ক্ষমতা অর্জন করেছিল; বক্সারের পর সে রাজস্ব আদায় ও যুদ্ধ পরিচালনার অর্থনৈতিক ভিত্তি পায়। বাংলার সম্পদ, জনশক্তি ও রাজস্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত এই নিয়ন্ত্রণই পরবর্তী মহীশূর, মারাঠা ও অন্যান্য ভারতীয় শক্তির বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সম্প্রসারণ সম্ভব করে। সেই কারণেই পলাশী ও বক্সারের মধ্যবর্তী সময়কে ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রকৃত ভিত্তি নির্মাণের যুগ হিসেবে দেখা হয়।


আপনার পছন্দ হতে পারে