কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ও উত্তরাধিকার: ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি, অসামরিক অঞ্চল ও বিভক্ত কোরিয়া
সিরিজ: কোরীয় যুদ্ধ
যুদ্ধ থামলেও শেষ হয়নি কোরিয়ার বিভাজন
১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই সকাল থেকে কোরীয় উপদ্বীপের রণাঙ্গনে এক অস্বাভাবিক অপেক্ষা বিরাজ করছিল। তিন বছর এক মাস ধরে চলা যুদ্ধে গোলাবর্ষণ, বিমান হামলা, রাতের আক্রমণ ও পাহাড় দখলের লড়াই ছিল প্রতিদিনের বাস্তবতা। কিন্তু সেদিন পানমুনজমে সামরিক প্রতিনিধিরা একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং রাত দশটা থেকে গোলাগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। সৈন্যরা অস্ত্র নামিয়ে রাখলেও কোনো পক্ষ আত্মসমর্পণ করেনি, কোনো বিজয়ী রাজধানীতে প্রবেশ করেনি এবং কোরিয়াকে একত্র করার লক্ষ্যও পূরণ হয়নি। কোরীয় যুদ্ধের লড়াই শেষ হয়েছিল একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে—পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির মাধ্যমে নয়।
যুদ্ধবিরতি আলোচনার সূচনা হয়েছিল ১৯৫১ সালের জুলাইয়ে, কিন্তু সামরিক বিভাজনরেখা, যুদ্ধবন্দিদের প্রত্যাবাসন ও চুক্তি পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে বিরোধের কারণে সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই বছর লেগে যায়। আলোচনার পাশাপাশি সম্মুখসারিতে যুদ্ধ চলতে থাকে এবং উভয় পক্ষ ভবিষ্যৎ সীমারেখায় সুবিধাজনক পাহাড় ও অবস্থান দখলের চেষ্টা করে। ১৯৫৩ সালের শুরুতে যুদ্ধবন্দিদের বিষয়ে সমঝোতার পথ তৈরি, সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিনের মৃত্যু এবং যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোর আগ্রহ বৃদ্ধি আলোচনাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়।
চুক্তিতে জাতিসংঘ কমান্ডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উইলিয়াম কে. হ্যারিসন জুনিয়র এবং উত্তর কোরিয়া ও চীনা বাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন জেনারেল নাম ইল। পরে জাতিসংঘ কমান্ডের সর্বাধিনায়ক মার্ক ক্লার্ক, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম ইল-সুং এবং চীনা পিপলস ভলান্টিয়ার আর্মির কমান্ডার পেং দেহুয়াই পৃথকভাবে নথিতে স্বাক্ষর করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্বাক্ষরকারী ছিল না। রাষ্ট্রপতি সিংমান রি বিভক্ত কোরিয়া মেনে নিতে অস্বীকার করেছিলেন এবং উত্তর কোরিয়াকে পরাজিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়াকে নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তা ও পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুদ্ধবিরতিতে বাধা না দিতে রাজি করায়। পরবর্তীকালে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়, যা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তাব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দেয়। তবু সিংমান রি আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির প্রতি সমর্থন জানাননি। এই অনুপস্থিতিই পরবর্তী সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্ন তৈরি করে—দক্ষিণ কোরিয়া স্বাক্ষর না করলেও যুদ্ধবিরতি কি তার ভূখণ্ডে কার্যকর? বাস্তবে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ও সরকার চুক্তির অধীনে প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধরেখা মেনে চলে এবং সংঘাতের প্রধান পক্ষগুলোও সেই ব্যবস্থার ভিত্তিতেই অবস্থান বজায় রাখে।
চুক্তি অনুসারে যুদ্ধ থামার সময় উভয় পক্ষ যেখানে অবস্থান করছিল, তার ভিত্তিতে একটি সামরিক বিভাজনরেখা নির্ধারণ করা হয়। এটি ৩৮তম সমান্তরালের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়নি। পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জায়গায় রেখাটি ৩৮তম সমান্তরালের দক্ষিণে এবং পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় উত্তরে চলে গেছে। ফলে যুদ্ধের শেষে সীমান্তটি শুরুতে ব্যবহৃত সরল অক্ষাংশরেখার বদলে পাহাড়, উপত্যকা ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে আঁকা একটি অনিয়মিত রেখায় পরিণত হয়।
সামরিক বিভাজনরেখার দুই পাশে প্রত্যেক পক্ষকে দুই কিলোমিটার করে পেছনে সরিয়ে মোট প্রায় চার কিলোমিটার প্রশস্ত একটি অঞ্চল তৈরি করা হয়। এর নাম দেওয়া হয় কোরীয় অসামরিক অঞ্চল, সংক্ষেপে ডিএমজেড। নামের মধ্যে ‘অসামরিক’ শব্দ থাকলেও অঞ্চলটির ঠিক বাইরে উভয় পক্ষ বিপুলসংখ্যক সেনা, কামান, সাঁজোয়া যান, বাংকার ও নজরদারিব্যবস্থা স্থাপন করে। ফলে ডিএমজেডের চারপাশ পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোরভাবে পাহারা দেওয়া সামরিক সীমান্তগুলোর একটিতে পরিণত হয়। ভেতরে সামরিক উপস্থিতি সীমিত হলেও এর দুই প্রান্তে সব সময় সংঘাতের সম্ভাবনা রয়ে যায়।
পানমুনজমের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয় যৌথ নিরাপত্তা এলাকা, যেখানে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠক করতে পারে। যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও অভিযোগ পর্যালোচনার জন্য সামরিক যুদ্ধবিরতি কমিশন গঠন করা হয়। বিদেশি সেনা ও অস্ত্রের অননুমোদিত প্রবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি তদারকি কমিশনও প্রতিষ্ঠিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উভয় পক্ষকে অসামরিক অঞ্চল থেকে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যুদ্ধবন্দিদের ভাগ্য নির্ধারণ ছিল চুক্তির সবচেয়ে জটিল অংশগুলোর একটি। যারা নিজ দেশে ফিরতে সম্মত হয়েছিল, তাদের অপারেশন বিগ সুইচ-এর মাধ্যমে বিনিময় করা হয়। অসুস্থ ও আহত বন্দিদের একটি অংশ এর আগেই বিনিময় করা হয়েছিল। কিন্তু হাজার হাজার উত্তর কোরীয় ও চীনা বন্দি কমিউনিস্ট নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। অন্যদিকে কিছু জাতিসংঘ ও দক্ষিণ কোরীয় বন্দিও নিজ পক্ষের কাছে ফিরতে চায়নি। প্রত্যাবাসনে অনিচ্ছুক বন্দিদের নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রত্যাবাসন কমিশনের হেফাজতে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ভারতীয় সেনারা এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকা পালন করে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে একটি রাজনৈতিক সম্মেলনের মাধ্যমে কোরিয়ার ভবিষ্যৎ ও বিদেশি বাহিনী প্রত্যাহারের প্রশ্ন সমাধানের সুপারিশ ছিল। ১৯৫৪ সালে জেনেভায় সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো বৈঠক করলেও ঐক্যবদ্ধ কোরিয়া প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি। উত্তর ও দক্ষিণের জন্য স্বাধীন নির্বাচন কীভাবে হবে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ থাকবে কি না এবং কোন সরকার বৈধ—এসব প্রশ্নে পক্ষগুলোর অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। রাজনৈতিক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা হয়েও দীর্ঘস্থায়ী বাস্তবতায় পরিণত হয়।
কোরীয় যুদ্ধের মানবিক মূল্য ছিল ভয়াবহ। সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে কয়েক মিলিয়ন মানুষ নিহত, আহত বা নিখোঁজ হয়েছিল বলে বিভিন্ন হিসাব থেকে ধারণা করা হয়। হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সাধারণ কোরীয় জনগণই সবচেয়ে বড় মূল্য দিয়েছিল। বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ, নগরযুদ্ধ, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, খাদ্যসংকট ও বাস্তুচ্যুতির কারণে অসংখ্য পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। শহর, শিল্পকারখানা, সেতু, রেলপথ, গ্রাম ও কৃষিজমির বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিউল কয়েকবার হাতবদল হওয়ায় রাজধানীর অবকাঠামো এবং মানুষের জীবন মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।
বিভাজনের সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক উত্তরাধিকার ছিল পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। যুদ্ধের আগে উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে যে সীমান্ত ছিল না, যুদ্ধবিরতির পর সেটিই প্রায় অতিক্রম-অসম্ভব সামরিক রেখায় পরিণত হয়। পশ্চাদপসরণ, শরণার্থী যাত্রা ও হঠাৎ সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বহু মানুষ বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। কেউ জানত না অপর পাশে থাকা স্বজন বেঁচে আছে কি না। পরবর্তী দশকগুলোতে সীমিত পারিবারিক পুনর্মিলনের ব্যবস্থা হলেও অধিকাংশ পরিবার আর কখনো একত্র হতে পারেনি। রাষ্ট্রের বিভাজন এভাবে লাখো মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের স্থায়ী শোকে পরিণত হয়।
যুদ্ধের পরে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া বিপরীত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পথে এগোয়। উত্তর কোরিয়ায় কিম ইল-সুং একটি কেন্দ্রীভূত একদলীয় রাষ্ট্র নির্মাণ করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত শিল্প ও নগর পুনর্গঠনে সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন এবং অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সহায়তা দেয়। একই সঙ্গে কিম রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের অপসারণ করে নিজের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করেন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থায় সামরিক প্রস্তুতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্বের গুরুত্ব বাড়ান।
দক্ষিণ কোরিয়ায় সিংমান রির সরকারও কর্তৃত্ববাদী ছিল এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সহায়তার ভিত্তিতে দেশটি ধীরে ধীরে পুনর্গঠন শুরু করে। পরবর্তী দশকগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামরিক শাসনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর অর্জন করে, পরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যায়। ফলে একই ভাষা ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের দুই অংশের মধ্যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং দৈনন্দিন জীবনের পার্থক্য ক্রমেই গভীর হতে থাকে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও কোরীয় যুদ্ধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করে এবং জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অন্যান্য মিত্ররাষ্ট্রের নিরাপত্তায় বৃহত্তর ভূমিকা গ্রহণ করে। চীন নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সক্ষম বিপ্লবী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যদিও যুদ্ধের জন্য তাকে বিপুল মানবিক ও অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে উত্তর কোরিয়া ও চীনকে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও বিমান সহায়তা দেয়। কোরীয় যুদ্ধ স্নায়ুযুদ্ধকে ইউরোপকেন্দ্রিক প্রতিযোগিতা থেকে সত্যিকারের বৈশ্বিক সামরিক সংঘাতে রূপ দেওয়ার অন্যতম প্রধান ঘটনা ছিল।
ডিএমজেড পরবর্তী সময়ে সংঘর্ষ, অনুপ্রবেশ, গুলিবিনিময় ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্র থেকেছে। একই সঙ্গে মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকায় এর বহু অংশ অনিচ্ছাকৃতভাবে বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির মাঝখানে কাঁটাতার, স্থলমাইন ও সামরিক চৌকির উপস্থিতি কোরীয় বিভাজনের গভীর বৈপরীত্য প্রকাশ করে। কখনো আলোচনার স্থান, কখনো শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্র এবং কখনো পুনর্মিলনের প্রতীক হিসেবে পানমুনজম ও ডিএমজেড দুই কোরিয়ার সম্পর্কের উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়ে রয়েছে।
১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি যুদ্ধের গোলাগুলি থামিয়েছিল, কিন্তু কোরীয় যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাপ্তি ঘটায়নি। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি না হওয়ায় সংঘাতটি আইনগত ও কূটনৈতিক অর্থে অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। যুদ্ধের শুরুতে যে সীমান্ত বিলোপ করে কোরিয়াকে একত্র করার চেষ্টা হয়েছিল, তিন বছরের ধ্বংসযজ্ঞের পর প্রায় একই অঞ্চলে আরও কঠোর সীমান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই কোরীয় যুদ্ধের সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার কোনো পক্ষের নিরঙ্কুশ বিজয় নয়; বরং একটি স্থায়ী বিভাজন, বিচ্ছিন্ন পরিবার, সামরিক উত্তেজনা এবং এমন এক অসমাপ্ত যুদ্ধ—যার ছায়া এখনো কোরীয় উপদ্বীপের ইতিহাস ও পরিচয়কে প্রভাবিত করে।
সিউলের পতন ও পাল্টা আক্রমণ: ১৯৫১ সালে যুদ্ধ যেভাবে আবার ৩৮তম সমান্তরালে ফিরে আসে
চীনের কোরীয় যুদ্ধে প্রবেশ: ইয়ালু নদী থেকে চোসিন জলাধারের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ
টঙ্কিন উপসাগরের ঘটনা: বিতর্কিত সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়াল?
নগো দিন দিয়েম, ভিয়েত কং ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের সংকট: গৃহসংঘাত থেকে বড় যুদ্ধ
জেনেভা চুক্তি ও ভিয়েতনামের বিভাজন: ১৭তম সমান্তরালে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের জন্ম