চীনের কোরীয় যুদ্ধে প্রবেশ: ইয়ালু নদী থেকে চোসিন জলাধারের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ
সিরিজ: কোরীয় যুদ্ধ
চোসিনের বরফে কোরীয় যুদ্ধের নতুন মোড়
১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরের শেষদিকে কোরীয় যুদ্ধের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল। কয়েক সপ্তাহ আগেও পুসান প্রতিরক্ষা বলয়ের ভেতর অবরুদ্ধ জাতিসংঘ ও দক্ষিণ কোরীয় বাহিনী ইনচন অবতরণের সাফল্যের পর দ্রুত উত্তর কোরীয় সেনাদের পিছু হটতে বাধ্য করে। সিউল পুনর্দখল করা হয় এবং আক্রমণকারী বাহিনীর বড় অংশ নিহত, বন্দী অথবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য—দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করা—অনেকটাই অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু জাতিসংঘ বাহিনী ৩৮তম সমান্তরালে থামেনি। সমগ্র কোরিয়াকে দক্ষিণের সরকারের অধীনে একত্র করার লক্ষ্য নিয়ে তারা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়। এই সিদ্ধান্তই যুদ্ধকে একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংঘাতে রূপ দেয় এবং চীনকে সরাসরি রণাঙ্গনে নিয়ে আসে।
চীনের জন্য উত্তর কোরিয়া শুধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র ছিল না; এটি ছিল চীনের শিল্পসমৃদ্ধ মাঞ্চুরিয়া অঞ্চল ও মার্কিন-সমর্থিত দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যবর্তী একটি নিরাপত্তাবলয়। চীন ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের বড় অংশ গঠিত হয়েছিল ইয়ালু নদী দিয়ে। জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়া দখল করে এই নদী পর্যন্ত পৌঁছালে মার্কিন সেনারা সরাসরি চীনা সীমান্তের পাশে অবস্থান নেবে—বেইজিংয়ের কাছে এটি গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি ছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহর তাইওয়ান প্রণালিতে মোতায়েন থাকায় চীনা নেতৃত্ব মনে করছিল, ওয়াশিংটন নতুন কমিউনিস্ট সরকারকে সামরিকভাবে ঘিরে ফেলতে চাইছে।
১৯৫০ সালের অক্টোবরের শুরুতে চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝৌ এনলাই কূটনৈতিক মাধ্যমে সতর্ক করেন, মার্কিন বাহিনী ৩৮তম সমান্তরাল অতিক্রম করলে চীন নিষ্ক্রিয় থাকবে না। কিন্তু ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘ কমান্ড এই সতর্কতাকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেনি। জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থারের ধারণা ছিল, চীন বড় আকারে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ ইতিমধ্যে হারিয়েছে। তিনি বিশ্বাস করতেন, চীনা বাহিনী প্রবেশ করলেও জাতিসংঘের বিমানশক্তি ও উন্নত অস্ত্রের সামনে টিকতে পারবে না। উত্তর কোরীয় বাহিনীর দ্রুত পতন এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছিল।
পিয়ংইয়ং ১৯ অক্টোবর জাতিসংঘ বাহিনীর দখলে চলে যায়। ঠিক একই সময়ে চীনের পিপলস ভলান্টিয়ার আর্মি গোপনে ইয়ালু নদী অতিক্রম করতে শুরু করে। বাহিনীটির আনুষ্ঠানিক নামের মধ্যে “স্বেচ্ছাসেবক” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যাতে সংঘাতকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ যুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন না করতে হয় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি কমানো যায়। বাস্তবে এটি ছিল জেনারেল পেং দেহুয়াইয়ের নেতৃত্বাধীন চীনের নিয়মিত সেনাবাহিনী। তারা প্রধানত রাতের অন্ধকারে চলাচল করত, দিনের বেলায় পাহাড়, বন ও গ্রামে লুকিয়ে থাকত এবং বিমান থেকে শনাক্ত হওয়া এড়াতে আলো ও যানবাহনের ব্যবহার সীমিত রাখত।
চীনা সেনাদের কাছে জাতিসংঘ বাহিনীর মতো পর্যাপ্ত মোটরযান, ভারী কামান বা বিমান সহায়তা ছিল না। অনেক সৈন্য পায়ে হেঁটে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও খাদ্য বহন করত। কিন্তু তারা পাহাড়ি ভূখণ্ডে চলাচল, রাতে অনুপ্রবেশ, শত্রুর পার্শ্ব ও পেছনের পথ আক্রমণ এবং বড় বাহিনীকে গোপন রাখার ক্ষেত্রে দক্ষ ছিল। তারা প্রায়ই বুগল, বাঁশি ও অন্যান্য সংকেত ব্যবহার করে রাতের আক্রমণ সমন্বয় করত। চীনের প্রধান শক্তি ছিল আকস্মিকতা, বিপুল জনবল, কঠোর শৃঙ্খলা এবং জাতিসংঘ বাহিনীর ছড়িয়ে থাকা ইউনিটগুলোর মাঝের ফাঁক কাজে লাগানোর ক্ষমতা।
২৫ অক্টোবর অনজং ও উনসান অঞ্চলে দক্ষিণ কোরীয় সেনাদের ওপর চীনা বাহিনী প্রথম বড় আঘাত হানে। এরপর মার্কিন ইউনিটও তাদের মুখোমুখি হয়। এই ‘প্রথম পর্যায়ের অভিযান’-এ চীনারা কয়েকটি দক্ষিণ কোরীয় ডিভিশনকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং জাতিসংঘ বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়। কিন্তু কয়েক দিন যুদ্ধের পর তারা হঠাৎ পাহাড়ের আড়ালে সরে যায়। এই প্রত্যাহার ছিল পরিকল্পিত। চীনা নেতৃত্ব তাদের উপস্থিতি ও শক্তি সম্পর্কে শত্রুকে বিভ্রান্ত রাখতে এবং আরও বাহিনী এনে বৃহত্তর পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে চেয়েছিল।
জাতিসংঘ কমান্ডের হাতে বন্দী চীনা সেনা, গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও যুদ্ধক্ষেত্রের প্রমাণ পৌঁছালেও চীনের অংশগ্রহণের মাত্রা ভুলভাবে মূল্যায়ন করা হয়। ম্যাকআর্থার মনে করেন, সীমিতসংখ্যক চীনা সেনা শুধু উত্তর কোরিয়ার শেষ প্রতিরক্ষা রক্ষার চেষ্টা করছে। তিনি নভেম্বরের শেষদিকে কথিত ‘বড়দিনের মধ্যে বাড়ি’ অভিযান শুরু করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী পশ্চিমে মার্কিন অষ্টম সেনাবাহিনী এবং পূর্বে দশম কোর ইয়ালু নদীর দিকে অগ্রসর হবে। কিন্তু পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে দুই বাহিনীর মধ্যে বিস্তীর্ণ ফাঁক সৃষ্টি হয়েছিল এবং তাদের ইউনিটগুলো দীর্ঘ, ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
চীন ২৫ নভেম্বর পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। রাতের অন্ধকারে চীনা সেনারা পাহাড় পেরিয়ে দক্ষিণ কোরীয় ও মার্কিন অবস্থানের ভেতর প্রবেশ করে, সড়ক অবরোধ করে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় কোর দ্রুত ভেঙে পড়লে মার্কিন অষ্টম সেনাবাহিনীর ডান পাশ উন্মুক্ত হয়ে যায়। কুনুরি অঞ্চলে তীব্র যুদ্ধের পর জাতিসংঘ বাহিনীকে দ্রুত দক্ষিণে পশ্চাদপসরণ করতে হয়। পূর্বাঞ্চলে একই সময়ে চীনের নবম সেনাদল চোসিন জলাধার ঘিরে থাকা মার্কিন ও জাতিসংঘ ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।
চোসিন জলাধার উত্তর কোরিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। কোরীয় ভাষায় এর নাম চাংজিন, কিন্তু জাপানি মানচিত্রের উচ্চারণ অনুসারে পশ্চিমা সামরিক নথিতে এটি ‘চোসিন’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। সেখানে মার্কিন প্রথম মেরিন ডিভিশনের ইউনিটগুলো ইউদামনি, হাগারু-রি ও কোতো-রি এলাকার দীর্ঘ পাহাড়ি সড়ক ধরে ছড়িয়ে ছিল। তাদের পূর্বদিকে জলাধারের অপর পাশে মার্কিন সপ্তম পদাতিক ডিভিশনের কয়েকটি ইউনিট অবস্থান করছিল। উত্তর কোরিয়ার গভীরে দ্রুত এগোনোর সময় এই বাহিনীগুলো বুঝতে পারেনি যে চারপাশের পাহাড়ে বিপুলসংখ্যক চীনা সেনা গোপনে অবস্থান নিয়েছে।
২৭ নভেম্বর রাতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের বহু নিচে নেমে যাওয়ার মধ্যে চীনা বাহিনী আক্রমণ শুরু করে। চোসিনের শীত ছিল এত তীব্র যে অস্ত্রের তেল জমে যেত, যানবাহন চালু করা কঠিন হতো, ব্যাটারি কাজ বন্ধ করত এবং চিকিৎসার প্লাজমা ও মরফিন পর্যন্ত জমে যেত। উন্মুক্ত ত্বক অল্প সময়েই তুষারক্ষতের শিকার হতো। উভয় পক্ষের বহু সৈন্য গুলির চেয়ে ঠান্ডা, ক্ষুধা ও শারীরিক অবসাদে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছিল। চোসিনে প্রতিপক্ষের পাশাপাশি প্রকৃতিও ছিল এক নির্মম শত্রু।
চীনা বাহিনী রাতের অন্ধকারে মেরিন অবস্থানগুলো ঘিরে ফেলে এবং দক্ষিণমুখী একমাত্র সড়কের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ইউদামনিতে অবস্থানরত মেরিনরা পশ্চিমে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে হাগারু-রির দিকে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি সাধারণ পশ্চাদপসরণ ছিল না; পাহাড়ি পথের দুই পাশে অবস্থান নেওয়া শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিটি বাঁক ও উচ্চভূমির জন্য যুদ্ধ করে এগোতে হয়েছিল। আকাশ পরিষ্কার থাকলে মার্কিন নৌ ও মেরিন বিমানগুলো ঘনিষ্ঠ সহায়তা দিত, শত্রুর অবস্থানে হামলা চালাত এবং আকাশপথে রসদ ফেলত। এই বিমান সহায়তা চীনা বাহিনীর সম্পূর্ণ অবরোধ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জলাধারের পূর্বদিকে অবস্থানরত মার্কিন ইউনিটগুলোর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে ‘টাস্ক ফোর্স ফেইথ’ নামে পরিচিত এই বাহিনী ধারাবাহিক চীনা আক্রমণ, গোলাবারুদের ঘাটতি, তীব্র ঠান্ডা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়ে। তারা গাড়িবহর নিয়ে দক্ষিণে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সড়ক অবরোধ ও পাহাড় থেকে আক্রমণে সংগঠন ভেঙে যায়। বহু সেনা নিহত, আহত বা বন্দী হন; অল্পসংখ্যক সৈন্য জমে যাওয়া জলাধার অতিক্রম করে নিরাপদ এলাকায় পৌঁছাতে সক্ষম হন।
হাগারু-রিতে মেরিন ও প্রকৌশলীরা অত্যন্ত কঠিন অবস্থায় একটি বিমানক্ষেত্র নির্মাণ করেছিল। সেটি চালু হওয়ার পর শত শত আহত সেনাকে সরিয়ে নেওয়া এবং নতুন রসদ পৌঁছানো সম্ভব হয়। এরপর সমবেত বাহিনী কোতো-রির দিকে অগ্রসর হয়। পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু চীনা বাহিনী ধ্বংস করে দিলে প্রত্যাহারের পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। মার্কিন বিমান থেকে প্রস্তুতকৃত সেতুর অংশ ফেলে প্রকৌশলীরা গভীর খাদটির ওপর নতুন সেতু স্থাপন করেন। এই অসাধারণ প্রকৌশল প্রচেষ্টার ফলে সেনা, ট্যাংক, যানবাহন ও আহতদের নিয়ে বহরটি দক্ষিণে অগ্রসর হতে পারে।
মেরিন কমান্ডার মেজর জেনারেল অলিভার পি. স্মিথ এই অভিযানকে কেবল পিছু হটা হিসেবে দেখাতে চাননি। তাঁর বিখ্যাত বক্তব্যের সারকথা ছিল—তারা পিছু হটছে না, বরং অন্য দিকে যুদ্ধ করে অগ্রসর হচ্ছে। বাস্তবে বাহিনীটি অবরুদ্ধ অবস্থান থেকে সংগঠিতভাবে বেরিয়ে আসছিল এবং পথে চীনা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড লড়াই করছিল। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি তারা হুংনাম বন্দরে পৌঁছে। সেখান থেকে জাতিসংঘ বাহিনী বিপুল সামরিক সরঞ্জাম এবং হাজার হাজার উত্তর কোরীয় বেসামরিক শরণার্থীসহ সমুদ্রপথে সরিয়ে নেওয়া হয়। ব্যবহারযোগ্য স্থাপনা ও অবশিষ্ট রসদ শত্রুর হাতে পড়া ঠেকাতে বন্দর ছাড়ার আগে ধ্বংস করা হয়।
চোসিন জলাধারের যুদ্ধকে উভয় পক্ষই নিজেদের দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে দেখে। চীন জাতিসংঘ বাহিনীকে উত্তর কোরিয়ার গভীর এলাকা থেকে সরিয়ে দিতে এবং যুদ্ধের কৌশলগত গতিপথ পাল্টাতে সফল হয়েছিল। কিন্তু চীনা নবম সেনাদলও যুদ্ধ, ক্ষুধা ও প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হয় এবং কিছু সময়ের জন্য কার্যত অক্ষম হয়ে পড়ে। অন্যদিকে মার্কিন মেরিন ও সহযোগী ইউনিটগুলো অঞ্চলটি ধরে রাখতে পারেনি, তবে অবরোধ ভেঙে অধিকাংশ বাহিনী, আহত সেনা ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। তাই এটি একই সঙ্গে চীনের কৌশলগত বিজয় এবং জাতিসংঘ বাহিনীর কঠিন সামরিক প্রত্যাহারের উদাহরণ।
চীনের হস্তক্ষেপ কোরীয় যুদ্ধের দ্বিতীয় বড় মোড় সৃষ্টি করেছিল। ইনচনের পর যে জাতিসংঘ বাহিনী দ্রুত বিজয়ের আশা করছিল, তারা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর কোরিয়া থেকে দীর্ঘ পশ্চাদপসরণে বাধ্য হয়। পিয়ংইয়ং আবার উত্তর কোরিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং যুদ্ধ পুনরায় ৩৮তম সমান্তরালের দিকে গড়ায়। ইয়ালু নদীর কাছে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু হওয়া অগ্রযাত্রা চোসিনের বরফে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। এতে স্পষ্ট হয়ে যায়, কোরীয় যুদ্ধ আর শুধু উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সংঘর্ষ নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সোভিয়েত সমর্থন এবং জাতিসংঘ বাহিনীকে যুক্ত করা এক দীর্ঘ ও বিপজ্জনক আন্তর্জাতিক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ও উত্তরাধিকার: ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি, অসামরিক অঞ্চল ও বিভক্ত কোরিয়া
অচলাবস্থা থেকে পানমুনজম শান্তি আলোচনা: কোরীয় যুদ্ধ থামাতে কেন দুই বছর লেগেছিল?
টঙ্কিন উপসাগরের ঘটনা: বিতর্কিত সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়াল?
নগো দিন দিয়েম, ভিয়েত কং ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের সংকট: গৃহসংঘাত থেকে বড় যুদ্ধ
জেনেভা চুক্তি ও ভিয়েতনামের বিভাজন: ১৭তম সমান্তরালে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের জন্ম