ভিয়েতনাম যুদ্ধের শিকড়: ফরাসি শাসন, হো চি মিন ও দিয়েন বিয়েন ফুর ইতিহাস
সিরিজ: ভিয়েতনাম যুদ্ধ
দিয়েন বিয়েন ফুর পতন ও ঔপনিবেশিক ভিয়েতনামের অবসান
উনিশ শতকের শেষভাগ থেকে ১৯৫৪ সালের দিয়েন বিয়েন ফুর যুদ্ধ পর্যন্ত ভিয়েতনামের ইতিহাস ছিল কেবল একটি উপনিবেশের স্বাধীনতা অর্জনের কাহিনি নয়। এই সময়ের মধ্যেই গড়ে উঠেছিল জাতীয়তাবাদ, সাম্যবাদ, কৃষকভিত্তিক বিপ্লব এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের সেই জটিল সংঘাত, যা পরে পূর্ণাঙ্গ ভিয়েতনাম যুদ্ধে রূপ নেয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রকৃত শিকড় বুঝতে হলে তাই যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আগমনের বহু আগে, ফরাসি ঔপনিবেশিক ইন্দোচীনের জন্ম থেকে ইতিহাসটি দেখতে হয়।
ফ্রান্স উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে ধীরে ধীরে ভিয়েতনামের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ১৮৮৭ সালে ভিয়েতনামের তিন অঞ্চল—টনকিন, আনাম ও কোচিনচীন—কম্বোডিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে গঠন করা হয় ফরাসি ইন্দোচীন। পরে লাওসও এর অন্তর্ভুক্ত হয়। নামেমাত্র কিছু স্থানীয় সম্রাট ও রাজদরবার টিকে থাকলেও প্রকৃত রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা ছিল ফরাসি প্রশাসনের হাতে। ভিয়েতনামের জনগণের কাছে এই ব্যবস্থা ছিল বিদেশি শাসনের পাশাপাশি নিজেদের দেশেই অধিকারহীন হয়ে পড়ার বাস্তবতা।
ফরাসিরা সড়ক, রেলপথ, বন্দর, খনি এবং প্রশাসনিক অবকাঠামো নির্মাণ করেছিল। কিন্তু এসব উন্নয়নের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভিয়েতনামের সাধারণ মানুষের কল্যাণ নয়; বরং উপনিবেশের সম্পদ দ্রুত আহরণ ও রপ্তানি করা। ধান, কয়লা, রাবার এবং অন্যান্য কাঁচামাল ফরাসি অর্থনীতির স্বার্থে ব্যবহৃত হতো। বিপুল জমি ইউরোপীয় মালিক ও সহযোগী স্থানীয় অভিজাতদের হাতে চলে যায়। অনেক কৃষক নিজেদের জমি হারিয়ে ভাগচাষি, ঋণগ্রস্ত শ্রমিক কিংবা রাবারবাগানের কর্মীতে পরিণত হন। অতিরিক্ত কর, বাধ্যতামূলক শ্রম, ভূমিহীনতা এবং রাজনৈতিক দমন ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে গভীর ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল।
শিক্ষা ও সরকারি চাকরিতেও বৈষম্য ছিল স্পষ্ট। অল্পসংখ্যক ভিয়েতনামি ফরাসি শিক্ষার সুযোগ পেলেও অধিকাংশ মানুষ ক্ষমতার বাইরে থেকে যায়। সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিরোধীদের কারাবন্দী করা ছিল সাধারণ ঘটনা। তবু ফরাসি শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য থেকেই এমন একটি নতুন শিক্ষিত শ্রেণি তৈরি হয়, যারা স্বাধীনতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আধুনিক রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পর্কে জানতে শুরু করে। কেউ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষে ছিলেন, কেউ প্রজাতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করতেন, আবার কেউ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে মুক্তির পথ হিসেবে দেখতেন।
এই রাজনৈতিক পরিবেশে উঠে আসেন হো চি মিন। ১৮৯০ সালে নগুয়েন সিন কুং নামে জন্ম নেওয়া হো চি মিন তরুণ বয়সে ভিয়েতনাম ছেড়ে বিভিন্ন দেশে কাজ ও ভ্রমণ করেন। ফ্রান্সে অবস্থানকালে তিনি ঔপনিবেশিক জনগণের অধিকার নিয়ে সক্রিয় হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে প্যারিস শান্তি সম্মেলনে তিনি ভিয়েতনামের জনগণের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু বিজয়ী পশ্চিমা শক্তিগুলো সেই আবেদনকে গুরুত্ব দেয়নি। আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও ইউরোপীয় সাম্রাজ্যগুলোর উপনিবেশে তা প্রয়োগ করা হয়নি। এই প্রত্যাখ্যান হো চি মিনকে বোঝায় যে শুধু আবেদন জানিয়ে ঔপনিবেশিক স্বাধীনতা অর্জন করা কঠিন।
রুশ বিপ্লব এবং ভ্লাদিমির লেনিনের ঔপনিবেশিক প্রশ্নবিষয়ক ধারণা হো চি মিনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তিনি ফরাসি কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠায় অংশ নেন এবং পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৩০ সালে তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্দোচীনা কমিউনিস্ট পার্টি। তবে হো চি মিনের সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল—তিনি সাম্যবাদী সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্যকে ভিয়েতনামের স্বাধীনতার দাবির সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। ফলে তাঁর আন্দোলন কেবল মতাদর্শনির্ভর একটি ক্ষুদ্র দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও জাতীয়তাবাদীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ভিয়েতনামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে দেয়। ১৯৪০ সালে ফ্রান্স নাৎসি জার্মানির কাছে পরাজিত হওয়ার পর জাপান ফরাসি ইন্দোচীনে প্রবেশ করে। ফরাসি ঔপনিবেশিক প্রশাসন কিছুদিন বহাল থাকলেও প্রকৃত সামরিক প্রভাব চলে যায় জাপানের হাতে। এভাবে ভিয়েতনামের মানুষ একই সময়ে ফরাসি প্রশাসন ও জাপানি দখলদারিত্বের দ্বৈত চাপের মুখে পড়ে। ১৯৪১ সালে হো চি মিন দেশে ফিরে ভিয়েত মিন, অর্থাৎ ভিয়েতনামের স্বাধীনতার জন্য লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি জাতীয় মুক্তিকে সামনে রেখে গেরিলা প্রতিরোধ, রাজনৈতিক প্রচার এবং গ্রামীণ জনগণকে সংগঠিত করতে থাকে।
যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ১৯৪৪–৪৫ সালের দুর্ভিক্ষে উত্তর ভিয়েতনামে বিপুলসংখ্যক মানুষ মারা যায়। যুদ্ধ, জাপানি নীতি, ফরাসি প্রশাসনিক ব্যর্থতা, খাদ্যসংকট এবং পরিবহনব্যবস্থার বিপর্যয় এই দুর্ভিক্ষকে তীব্র করে। ভিয়েত মিন বিভিন্ন স্থানে খাদ্যগুদাম খুলে দেওয়া এবং ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচার চালায়। এর ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। জাতীয় স্বাধীনতার দাবি তখন মানুষের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার সংগ্রামের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল।
১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানের আত্মসমর্পণের পর সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা কাজে লাগিয়ে ভিয়েত মিন দ্রুত বিভিন্ন শহর ও প্রশাসনিক কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এই ঘটনাই আগস্ট বিপ্লব নামে পরিচিত। ২ সেপ্টেম্বর হ্যানয়ের বা দিন স্কয়ারে হো চি মিন ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণাই বিদেশি শাসনের অবসান ঘটাতে পারেনি। ফ্রান্স তার ইন্দোচীন সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। দক্ষিণে ব্রিটিশ বাহিনীর সহায়তায় ফরাসি সেনারা পুনরায় অবস্থান শক্ত করে, আর উত্তরে চীনা জাতীয়তাবাদী বাহিনী জাপানিদের নিরস্ত্র করতে প্রবেশ করে।
হো চি মিন প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত এড়াতে চেয়েছিলেন। ১৯৪৬ সালের মার্চের সমঝোতায় ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সীমিত স্বীকৃতি দেয় এবং বিনিময়ে ফরাসি সেনাদের উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের সুযোগ পায়। কিন্তু পূর্ণ স্বাধীনতা, দক্ষিণ ভিয়েতনামের ভবিষ্যৎ এবং সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থান ছিল পরস্পরবিরোধী। বছরের শেষ নাগাদ আলোচনা ভেঙে পড়ে। হাইফংয়ে ফরাসি গোলাবর্ষণ এবং হ্যানয়ে সংঘর্ষের পর ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ।
প্রথম দিকে ফরাসি বাহিনীর কাছে আধুনিক অস্ত্র, বিমান, কামান এবং নগরকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ছিল। ভিয়েত মিনের সামরিক নেতা ভো নগুয়েন জিয়াপ সরাসরি প্রচলিত যুদ্ধে না গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গেরিলা কৌশল গ্রহণ করেন। ছোট ইউনিটে অতর্কিত হামলা, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস, দুর্গম গ্রামাঞ্চলে ঘাঁটি নির্মাণ এবং জনগণের সহায়তায় রসদ পরিবহন ছিল এই কৌশলের অংশ। ভিয়েত মিন শুধু একটি সেনাবাহিনী ছিল না; গ্রামভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন, কৃষকসমর্থন এবং স্থানীয় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তাদের যুদ্ধক্ষমতার ভিত্তি গড়ে দেয়।
১৯৪৯ সালে চীনে মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে কমিউনিস্ট বিপ্লব সফল হওয়ার পর যুদ্ধের ভারসাম্য বদলে যায়। ভিয়েত মিন চীনের সীমান্ত দিয়ে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও রসদ পেতে শুরু করে। অন্যদিকে স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ফরাসি যুদ্ধপ্রচেষ্টাকে অর্থ ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করে। ওয়াশিংটনের চোখে সংঘাতটি আর শুধু ফ্রান্স ও একটি উপনিবেশের মধ্যকার যুদ্ধ ছিল না; এটি এশিয়ায় সাম্যবাদের বিস্তার ঠেকানোর লড়াইয়ে পরিণত হয়। এখানেই ভিয়েতনামের ঔপনিবেশিক স্বাধীনতাযুদ্ধ আন্তর্জাতিক স্নায়ুযুদ্ধের অংশ হয়ে ওঠে।
১৯৫৩ সালে ফরাসি নেতৃত্ব উত্তর-পশ্চিম ভিয়েতনামের দুর্গম দিয়েন বিয়েন ফু উপত্যকায় একটি শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ভিয়েত মিনের লাওসমুখী যোগাযোগপথ বন্ধ করা এবং জিয়াপের বাহিনীকে খোলা যুদ্ধে টেনে এনে বিমান ও কামানের শক্তিতে ধ্বংস করা। ফরাসিরা ধারণা করেছিল চারপাশের দুর্গম পাহাড় দিয়ে ভারী কামান পরিবহন করা অসম্ভব এবং আকাশপথে ঘাঁটিটিকে সহজেই রসদ সরবরাহ করা যাবে। কিন্তু এই আত্মবিশ্বাসই তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতায় পরিণত হয়।
জিয়াপ হাজার হাজার সৈন্য, শ্রমিক ও স্বেচ্ছাসেবককে কাজে লাগিয়ে পাহাড়ি জঙ্গল অতিক্রম করে কামান, গোলাবারুদ ও খাদ্য বহন করান। সাইকেল, বাঁশের খুঁটি এবং মানুষের কাঁধে বিপুল রসদ যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছায়। পাহাড়ের ঢালে গোপন কামানঘাঁটি এবং উপত্যকার চারপাশে বিস্তৃত পরিখা নির্মাণ করে ভিয়েত মিন ধীরে ধীরে ফরাসিদের ঘিরে ফেলে। ১৩ মার্চ ১৯৫৪ আক্রমণ শুরু হয়। একের পর এক ফরাসি প্রতিরক্ষাবলয় পতনের সঙ্গে তাদের বিমানঘাঁটি অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং রসদ সরবরাহ বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। ভিয়েত মিনের পরিখা ক্রমে ফরাসি অবস্থানের আরও কাছে পৌঁছে যায়।
প্রায় ৫৬ দিনের অবরোধ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ৭ মে ১৯৫৪ দিয়েন বিয়েন ফুর ফরাসি ঘাঁটি আত্মসমর্পণ করে। এটি শুধু একটি সামরিক পরাজয় ছিল না; এটি এশিয়ায় ফরাসি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক ভিত্তি ভেঙে দেয়। গেরিলা বাহিনী থেকে নিয়মিত সেনাবাহিনীতে রূপান্তরিত ভিয়েত মিন দেখিয়ে দেয় যে সংগঠিত জনগণ, কার্যকর রসদব্যবস্থা এবং উপযোগী কৌশল দিয়ে একটি ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব।
এরপর জেনেভা সম্মেলনের মাধ্যমে ফরাসি যুদ্ধের অবসান ঘটলেও ভিয়েতনাম স্থায়ীভাবে ঐক্যবদ্ধ স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়নি। দেশটিকে সাময়িকভাবে সপ্তদশ অক্ষরেখা বরাবর উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করা হয় এবং ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে পুনরেকত্রীকরণের কথা বলা হয়। কিন্তু সেই নির্বাচন আর অনুষ্ঠিত হয়নি। উত্তরে হো চি মিনের সরকার এবং দক্ষিণে পশ্চিমা-সমর্থিত সরকারকে কেন্দ্র করে নতুন সংঘাতের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই দিয়েন বিয়েন ফু ফরাসি ঔপনিবেশিক যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটালেও একই সঙ্গে আরও দীর্ঘ, আন্তর্জাতিক ও বিধ্বংসী ভিয়েতনাম যুদ্ধের দ্বার খুলে দিয়েছিল।
কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ও উত্তরাধিকার: ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি, অসামরিক অঞ্চল ও বিভক্ত কোরিয়া
অচলাবস্থা থেকে পানমুনজম শান্তি আলোচনা: কোরীয় যুদ্ধ থামাতে কেন দুই বছর লেগেছিল?
সিউলের পতন ও পাল্টা আক্রমণ: ১৯৫১ সালে যুদ্ধ যেভাবে আবার ৩৮তম সমান্তরালে ফিরে আসে
চীনের কোরীয় যুদ্ধে প্রবেশ: ইয়ালু নদী থেকে চোসিন জলাধারের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ
টঙ্কিন উপসাগরের ঘটনা: বিতর্কিত সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়াল?
নগো দিন দিয়েম, ভিয়েত কং ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের সংকট: গৃহসংঘাত থেকে বড় যুদ্ধ