সোভিয়েত–আফগান যুদ্ধ: ১৯৭৯ সালের আক্রমণ ও স্নায়ুযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী অধ্যায়
সিরিজ: স্নায়ুযুদ্ধ: দুই পরাশক্তির বিশ্বসংঘাত
আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী দশক
১৯৭৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সোভিয়েত সেনাবাহিনী যখন আফগানিস্তানে প্রবেশ করে, তখন মস্কোর নেতারা সম্ভবত ধারণা করেছিলেন যে এটি হবে সীমিত সময়ের একটি সামরিক অভিযান। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিপর্যস্ত একটি মিত্র সরকারকে রক্ষা করা, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থামানো এবং নিজেদের দক্ষিণ সীমান্তে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের জন্য পরিকল্পিত সেই হস্তক্ষেপ শেষ পর্যন্ত প্রায় দশ বছরের এক বিধ্বংসী যুদ্ধে পরিণত হয়। আফগানিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য শুধু একটি যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না; এটি হয়ে উঠেছিল সামরিক ক্লান্তি, অর্থনৈতিক ক্ষয় এবং রাজনৈতিক বৈধতা হারানোর এক গভীর ফাঁদ।
আফগান সংকটের শিকড় ছিল দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। ১৯৭৩ সালে মোহাম্মদ দাউদ খান এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমদিকে তিনি সোভিয়েতপন্থী বাম শক্তির সহযোগিতা নিলেও পরে তাদের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেন। ১৯৭৮ সালের এপ্রিলে পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আফগানিস্তান বা পিডিপিএ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দাউদ সরকারকে উৎখাত করে। সাওর বিপ্লব নামে পরিচিত এই ঘটনায় নূর মোহাম্মদ তারাকি ক্ষমতায় আসেন এবং আফগানিস্তানকে দ্রুত সমাজতান্ত্রিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
নতুন সরকার ভূমি সংস্কার, সুদের ঋণ বিলোপ, নারীদের শিক্ষা সম্প্রসারণ, বাল্যবিবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় ও গোত্রীয় কর্তৃত্ব দুর্বল করার মতো পরিবর্তন ঘোষণা করে। এসব সংস্কারের কিছু লক্ষ্য আধুনিকতাবাদী হলেও সেগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি ছিল হঠকারী ও দমনমূলক। আফগানিস্তানের গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় নেতা, উপজাতীয় প্রধান এবং ভূমির মালিকদের দীর্ঘদিনের প্রভাব ছিল। সরকার স্থানীয় রীতি ও ক্ষমতার কাঠামো না বুঝে ওপর থেকে দ্রুত পরিবর্তন চাপিয়ে দেওয়ায় ব্যাপক বিরোধিতা শুরু হয়। গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও হত্যার কারণে অসন্তোষ আরও বেড়ে যায় এবং বিভিন্ন প্রদেশে সশস্ত্র বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করেছিল ক্ষমতাসীন পিডিপিএর অভ্যন্তরীণ বিভাজন। দলটি খালক ও পারচাম নামে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীতে বিভক্ত ছিল। তারাকি এবং হাফিজুল্লাহ আমিন ছিলেন খালক গোষ্ঠীর নেতা, আর বাবরাক কারমাল ছিলেন পারচামপন্থী। ক্ষমতা দখলের পর খালক নেতৃত্ব পারচাম নেতাদের সরিয়ে দেয় এবং অনেককে বিদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠিয়ে কার্যত নির্বাসনে রাখে। পরে তারাকি ও আমিনের মধ্যেও দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমিন তারাকিকে ক্ষমতাচ্যুত করেন; কিছুদিন পর তারাকিকে হত্যা করা হয়।
মস্কো আমিনের আচরণ, নিষ্ঠুর দমননীতি এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সোভিয়েত নেতারা আশঙ্কা করছিলেন যে আফগান সরকার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়লে ইসলামপন্থী বিদ্রোহ সোভিয়েত মধ্য এশিয়ার মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে তারা সন্দেহ করছিলেন, আমিন হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন। এই সন্দেহের পক্ষে শক্ত প্রমাণ সীমিত হলেও স্নায়ুযুদ্ধের অবিশ্বাসপূর্ণ পরিবেশে সম্ভাবনাটিই ক্রেমলিনের কাছে বিপজ্জনক মনে হয়েছিল। সোভিয়েত সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে ছিল সম্প্রসারণের উচ্চাকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি একটি মিত্র রাষ্ট্র হারানোর ভয়।
১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত বাহিনী দ্রুত আফগানিস্তানের বিমানঘাঁটি, যোগাযোগব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা দখল করে। ২৭ ডিসেম্বর কেজিবির বিশেষ বাহিনী ও সোভিয়েত সেনারা কাবুলের তাজবেক প্রাসাদে অভিযান চালায়। অপারেশন স্টর্ম-৩৩৩ নামে পরিচিত সেই হামলায় আমিন নিহত হন। এরপর নির্বাসন থেকে বাবরাক কারমালকে এনে নতুন রাষ্ট্রপ্রধান ঘোষণা করা হয়। সোভিয়েত প্রচারণায় বলা হয়েছিল, আফগান সরকারের অনুরোধে বন্ধুত্বপূর্ণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে সরকার পরিবর্তন এবং বিদেশি সেনা মোতায়েনের ফলে কারমালের বৈধতা শুরু থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
সোভিয়েত বাহিনী শহর, প্রধান সড়ক এবং সামরিক ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও আফগানিস্তানের বিস্তৃত পাহাড়ি ও গ্রামীণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করা ছিল অত্যন্ত কঠিন। সরকারবিরোধী যোদ্ধারা, যারা সম্মিলিতভাবে মুজাহিদিন নামে পরিচিত হয়ে ওঠে, ছোট ছোট দলে বিভক্ত থেকে গেরিলা কৌশল গ্রহণ করে। তারা অতর্কিত হামলা, সড়কে মাইন স্থাপন, সরবরাহবহরে আক্রমণ এবং দ্রুত পাহাড়ে সরে যাওয়ার কৌশল ব্যবহার করত। অপরদিকে সোভিয়েত বাহিনী বিমান হামলা, ভারী কামান, হেলিকপ্টার অভিযান এবং গ্রাম উচ্ছেদের মাধ্যমে প্রতিরোধের সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করার চেষ্টা করে।
এ যুদ্ধ দ্রুত আন্তর্জাতিক প্রক্সি সংঘাতে রূপ নেয়। যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত হস্তক্ষেপকে পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের দিকে মস্কোর সম্ভাব্য অগ্রযাত্রা হিসেবে দেখেছিল। প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, SALT II চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিক বর্জন করে। কার্টার ঘোষণা করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাইরের শক্তির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের ওপর আক্রমণ বলে বিবেচিত হবে। ফলে দেতান্তের যুগ কার্যত শেষ হয়ে স্নায়ুযুদ্ধ আবার কঠোর সংঘাতের পর্যায়ে প্রবেশ করে।
মুজাহিদিনকে সহায়তা দেওয়ার প্রধান কর্মসূচি ছিল সিআইএর অপারেশন সাইক্লোন। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আফগান গোষ্ঠীগুলোর হাতে অস্ত্র তুলে দিত না; পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ বণ্টনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করত। পাকিস্তানের শাসক জিয়াউল হক আফগান প্রতিরোধকে নিজের দেশের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং ইসলামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেন। সৌদি আরবও বিপুল অর্থ দেয় এবং বিভিন্ন আরব দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবীরা পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আসতে শুরু করে। চীন, মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশ অস্ত্র সরবরাহে ভূমিকা রাখে।
পাকিস্তানি আইএসআই বিশেষভাবে ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল, কারণ তাদের অধিক সংগঠিত, অনুগত এবং পাকিস্তানের আঞ্চলিক স্বার্থের উপযোগী বলে মনে করা হতো। ফলে আফগান জাতীয়তাবাদী, মধ্যপন্থী কিংবা রাজতন্ত্রপন্থী শক্তির তুলনায় কঠোর ইসলামপন্থী দলগুলো বেশি সহায়তা পায়। এই অস্ত্র ও অর্থের অসম বণ্টন যুদ্ধ-পরবর্তী আফগান রাজনীতির ভারসাম্যকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তবে মুজাহিদিনকে একটি ঐক্যবদ্ধ বাহিনী ভাবা ভুল; তাদের মধ্যে মতাদর্শ, জাতিগত পরিচয়, অঞ্চল এবং নেতৃত্ব নিয়ে তীব্র বিভাজন ছিল।
১৯৮৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি স্টিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে পরিচিত। বহনযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মুজাহিদিন সোভিয়েত হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড়তে থাকা বিমান আঘাত করতে পারত। বিশেষ করে Mi-24 হিন্দ আক্রমণকারী হেলিকপ্টার আগে গেরিলাদের কাছে আতঙ্কের প্রতীক ছিল। স্টিঙ্গার সোভিয়েত বিমানশক্তিকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করেনি, কিন্তু তাদের অভিযানকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে এবং উড্ডয়ন কৌশল বদলাতে বাধ্য করে। তবু সোভিয়েত ব্যর্থতার একমাত্র কারণ স্টিঙ্গার ছিল না; দুর্গম ভূগোল, সীমান্তপারের নিরাপদ আশ্রয়, দুর্বল কাবুল সরকার এবং যুদ্ধের রাজনৈতিক লক্ষ্য অস্পষ্ট থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
সাধারণ আফগান জনগণকে এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয়। বোমাবর্ষণ, স্থলমাইন, খাদ্যব্যবস্থার ধ্বংস এবং গ্রাম উচ্ছেদের ফলে লাখো মানুষ নিহত বা আহত হয়। প্রায় অর্ধকোটি আফগান পাকিস্তান ও ইরানে আশ্রয় নেয় এবং আরও বহু মানুষ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত হয়। কৃষিজমি পরিত্যক্ত হয়ে যায়, সেচব্যবস্থা নষ্ট হয় এবং অসংখ্য গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়ে। একটি প্রজন্মের শৈশব কেটেছিল শরণার্থী শিবির, অস্ত্র, ধর্মীয় সামরিকীকরণ এবং স্থায়ী অনিশ্চয়তার মধ্যে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার বহু বছর পরও স্থলমাইন ও অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ মানুষকে হত্যা করতে থাকে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য যুদ্ধ ক্রমেই অর্থনৈতিক ও মানসিক বোঝায় পরিণত হয়। প্রায় ছয় লাখ সোভিয়েত সেনা বিভিন্ন সময়ে আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করে; ১৫ হাজারের কাছাকাছি সেনা নিহত এবং আরও বহু সেনা আহত ও অসুস্থ হয়। দেশে ফিরে আসা সৈনিকদের অনেকে শারীরিক আঘাত, মানসিক বিপর্যয় এবং সামাজিক অবহেলার মুখোমুখি হয়। সরকারি প্রচারণা যুদ্ধের বাস্তবতা গোপন করলেও কফিনবন্দী তরুণদের প্রত্যাবর্তন, দুর্নীতি এবং সামরিক ব্যর্থতার খবর সোভিয়েত সমাজে অসন্তোষ বাড়ায়।
১৯৮৫ সালে মিখাইল গর্বাচেভ ক্ষমতায় এসে আফগানিস্তানকে একটি রক্তক্ষরণশীল ক্ষত হিসেবে দেখেন। তিনি বুঝতে পারেন, সামরিক শক্তি দিয়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান অর্জন সম্ভব নয়। কাবুলে কারমালকে সরিয়ে মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহকে ক্ষমতায় আনা হয় এবং জাতীয় সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৮৮ সালের জেনেভা চুক্তির মাধ্যমে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হয়। ১৯৮৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেষ সোভিয়েত সেনারা আমু দরিয়া পার হয়ে দেশে ফিরে যায়।
সেনা প্রত্যাহারের পরও যুদ্ধ থামেনি। সোভিয়েত সহায়তায় নাজিবুল্লাহ সরকার আরও কয়েক বছর টিকে থাকলেও মস্কোর পতন ও অর্থসহায়তা বন্ধ হওয়ার পর ১৯৯২ সালে তার সরকার ভেঙে পড়ে। মুজাহিদিন গোষ্ঠীগুলোর পারস্পরিক সংঘর্ষ কাবুলকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে ১৯৯০-এর দশকে তালেবানের উত্থান ঘটে। একই সময়ে আফগান যুদ্ধে অংশ নেওয়া বিদেশি যোদ্ধা ও আন্তঃদেশীয় জিহাদি নেটওয়ার্ক পরবর্তী দশকে নতুন নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি করে। তবে আফগান প্রতিরোধ এবং পরবর্তী বৈশ্বিক জঙ্গিবাদকে সরলভাবে একই ঘটনা হিসেবে দেখা উচিত নয়; তাদের বিকাশে গৃহযুদ্ধ, রাষ্ট্রের পতন ও আঞ্চলিক রাজনীতিরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
সোভিয়েত–আফগান যুদ্ধ দেখিয়েছিল, একটি পরাশক্তি বিপুল সামরিক ক্ষমতা নিয়েও স্থানীয় সমাজের ইতিহাস, রাজনীতি ও ভূগোল উপেক্ষা করে সহজে বিজয় অর্জন করতে পারে না। এটি দেতান্তের অবসান ঘটায়, যুক্তরাষ্ট্র–সোভিয়েত অস্ত্র ও প্রক্সি প্রতিযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করে এবং আফগানিস্তানকে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার মধ্যে ঠেলে দেয়। যুদ্ধ এককভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটায়নি, কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অবিশ্বাস এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার দুর্বলতাকে আরও প্রকট করেছিল। ১৯৭৯ সালের সেই আক্রমণ তাই শুধু আফগানিস্তানের ইতিহাসে নয়, সমগ্র স্নায়ুযুদ্ধের ইতিহাসে এক গভীর মোড়—যেখানে পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা একটি দেশের মাটি, সমাজ ও ভবিষ্যৎকে কয়েক দশকের জন্য রক্তাক্ত করে দেয়।
ভালকান: আগুনের দেবতা, দৈব অস্ত্রনির্মাতা ও আগ্নেয়গিরির কিংবদন্তি
ডায়ানা: চাঁদ, শিকার, বনভূমি ও নারীদের রক্ষাকর্ত্রী রোমান দেবী
মার্কারি ও অ্যাপোলো: বাণিজ্য, ভবিষ্যদ্বাণী, সংগীত ও চিকিৎসার দেবতা
প্লুটো ও রোমান পাতালজগৎ: মৃত্যুর পর আত্মার যাত্রা ও বিচারের বিশ্বাস
নেপচুন: সমুদ্র, ঘোড়া ও ভূমিকম্পের রোমান দেবতার পৌরাণিক জগৎ
ভেনাস: প্রেমের দেবী থেকে এনিয়াস ও জুলিয়াস সিজারের বংশমাতা